কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রধান শিক্ষকদের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ - বিবিধ - দৈনিকশিক্ষা

কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রধান শিক্ষকদের কাছে টাকা দাবির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক |

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা পরিচয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে নতুন শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছেন সে প্রতিষ্ঠানগুলোকে টার্গেট করেছে প্রতারক চক্রটি। তারা মুঠোফোনে টেলিফোন করে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের ‘সম্মানী’ বাবদ টাকা পাঠাতে বলছেন। তা না করলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তিন থেকে ছয় মাসের এমপিও কেটে রাখা হবে বলেও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। যদিও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে নিশ্চিত করেছেন, অধিদপ্তর থেকে টেলিফোন করে কারও কাছে টাকা চাওয়া হয় না। কর্মকর্তারা বলছেন এটি কোনো প্রতারক চক্রের কাজ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর কলাবাগানের লেক সার্কাস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদের সহসভাপতি মো. মোস্তফা কামাল এমন একটি ফোন পান। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, বিকেল পাঁচটায় আমাকে ফোন করা হয় স্কুলে ইআইআইএনের নম্বরে 01323250401 থেকে ফোন করা হয়। তারা দাবি করেন তারা শিক্ষা ভবনের এমপিও সেল থেকে সকাল দশটা থেকে ফোন দিচ্ছেন। কিছুক্ষণ উচ্চস্বরে কথা বলার পর জানানো হয়, আপনার নামে শোকজ হচ্ছে। আপনার ৩ থেকে ৬ মাসের এমপিও কাটা যাবে। আপনাকে এখন একটা কোড নম্বর দেয়া হবে। আপনি আগামী ২২ মে অধিদপ্তরের ৩২২ নম্বর রুমে এসে তা বলে যাবেন। কোড নম্বর কাউকে জানাবেন না।

প্রধান শিক্ষক বলেন, প্রথমে কিছুটা ঘাবড়ে গেলাম, সামনে না জানি কোন বিপদ অপেক্ষা করছে। এবার বললাম আমি একটু লিখে নেই।  অপর প্রান্ত থেকে এবার নরম স্বরে বলা হলো, আমি একটা নম্বর দিচ্ছি আপনি তাতে সম্মানী পাঠান। বিষয়টি বুঝতে আর দেরি হয়নি। এবার আমার প্রশ্ন করি টাকা স্কুল থেকে দেবো নাকি আমার পকেট থেকে দেবো। প্রতারক বলেন আপনার থেকে দেবেন। পরে আমি সাফ জানিয়ে দিয়েছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিন। 

সারাদেশের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এ ধরণের প্রতারকদের থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এ প্রতিষ্ঠান প্রধান। 

এ বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানান, অধিদপ্তর থেকে এমপিও বা এ সংক্রান্ত কাজের জন্য কোনো টাকা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না। এমপিওর কাজ আঞ্চলিক কার্যালয়গুলো করে। সেখান থেকেও টেলিফোনে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছে টাকা চাওয়ার সুযোগ নেই। এটি কোনো প্রতারক চক্রের কাজ। 

কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। একইসঙ্গে এভাবে টাকা চাওয়া হলে বিষয়টি পুলিশকে জানাতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে সয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল   SUBSCRIBE   করতে ক্লিক করুন।

সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি, প্রস্তাব নাকচ শিক্ষামন্ত্রীর - dainik shiksha সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি, প্রস্তাব নাকচ শিক্ষামন্ত্রীর বিলবোর্ড ভেঙে জবি ছাত্রী গুরুতর আহত - dainik shiksha বিলবোর্ড ভেঙে জবি ছাত্রী গুরুতর আহত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ৭৮ ভাগ আসনই খালি, নৈরাজ্য চলছে - dainik shiksha পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ৭৮ ভাগ আসনই খালি, নৈরাজ্য চলছে শিক্ষা প্রকৌশলের দুর্নীতি, প্রশ্নের মুখে প্রধান প্রকৌশলী - dainik shiksha শিক্ষা প্রকৌশলের দুর্নীতি, প্রশ্নের মুখে প্রধান প্রকৌশলী একজন শিক্ষার্থীও হাতে পায়নি ইউনিক আইডি, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ - dainik shiksha একজন শিক্ষার্থীও হাতে পায়নি ইউনিক আইডি, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন করলে ১০ বছরের জেল - dainik shiksha লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন করলে ১০ বছরের জেল ৩৭ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাকে বদলি - dainik shiksha ৩৭ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাকে বদলি অনার্স ভর্তিতে রিলিজ স্লিপে আবেদন শুরু ১৬ আগস্ট - dainik shiksha অনার্স ভর্তিতে রিলিজ স্লিপে আবেদন শুরু ১৬ আগস্ট please click here to view dainikshiksha website