চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত - বিবিধ - দৈনিকশিক্ষা

চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক |

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের তিন শতাধিক শিক্ষানবিশ চিকিৎসক কর্মবিরতি অব্যাহত রেখেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার টানা দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি পালন করেছেন তাঁরা। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

গতকাল দুপুরে হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা। পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।

দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে মামলার আসামিদের বিচারের আওতায় আনা, উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রদের ছাত্রত্ব বাতিল করা, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্টাফ কোয়ার্টার, গোয়াছিবাগান, লিচুবাগান ও হাসপাতাল-সংলগ্ন স্থানগুলোতে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা এবং ইন্টার্ন হোস্টেলের নিরাপত্তা জোরদার করা।

চমেক হাসপাতাল ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. ওসমান গণি বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

দৈনিক শিক্ষা পরিবারের নতুন সদস্য ‘দৈনিক আমাদের বার্তা’

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতালের নিউরো সার্জারি, মেডিসিন, শিশু স্বাস্থ্য বিভাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ইন্টার্ন চিকিৎসক না থাকায় দায়িত্বরত অন্য চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষ করে দুপুর ২টার পর থেকে হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকার পর রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। একজন চিকিৎসক বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা না থাকার কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। আরেক চিকিৎসক বলেন, কর্মবিরতিতে খুব একটা প্রভাব পড়ছে না। কারণ বিশেষায়িত হাসপাতাল হওয়ায় বর্তমানে এখানে প্রায় ওয়ার্ডে অনেক চিকিৎসক আছেন।

হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. আফতাবুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার আগে দৈনিক গড়ে তিন হাজার রোগী ইনডোরে ভর্তি থাকত। এখন সেখানে গড়ে দেড় হাজার রোগী। রোগী কম থাকার কারণে ইন্টার্নদের কর্মবিরতিতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না।’

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক - dainik shiksha বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী - dainik shiksha করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী অনলাইন পরীক্ষা সুফল বয়ে আনবে না : উপাচার্য - dainik shiksha অনলাইন পরীক্ষা সুফল বয়ে আনবে না : উপাচার্য মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা - dainik shiksha মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা ঈদের আগে জামা-জুতার টাকা পেল না শিক্ষার্থীরা, উপবৃত্তি ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ - dainik shiksha ঈদের আগে জামা-জুতার টাকা পেল না শিক্ষার্থীরা, উপবৃত্তি ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে - dainik shiksha এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে - dainik shiksha শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে - dainik shiksha ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে সেহরি ও ইফতারের সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সূচি দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে - dainik shiksha দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ - dainik shiksha ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ please click here to view dainikshiksha website