চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এলো ম্যারাডোনার মেডিক্যাল রিপোর্টে - খেলাধুলা - দৈনিকশিক্ষা

চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এলো ম্যারাডোনার মেডিক্যাল রিপোর্টে

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

আজেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনা মৃত্যুর আগে অযত্নে ভুগেছেন। তার সুস্থতার জন্যও দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক-নার্সরা যথেষ্ট সোচ্চার ছিলেন না। ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে গঠিত চিকিৎসকদের বিশেষজ্ঞ প্যানেল এই তথ্য দিয়েছে।

গত বছর ২৫ নভেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি দেন ম্যারাডোনা। ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর চিকিৎসার অবহেলার অভিযোগ উঠে। এরপর আর্জেন্টিনার প্রসিকিউটররা ম্যারাডোনার চিকিৎসার তত্ত্বাবধানে জড়িত চিকিৎসক, নার্সদের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেন।

ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ পরীক্ষা করতে এবং করো কোনো অবহেলা আছে কি-না, তা নির্ধারণে প্রসিকিউটররা ২০ জন মেডিক্যাল বিশেজ্ঞের একটি প্যানেল গঠন করেন। শুক্রবার আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ক্লার্ন সেই প্যানেলের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ৭০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে প্যানেল বলছে, ম্যারাডোনার মৃত্যুর ১২ ঘণ্টা আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

এই সময়ে ‘ম্যারাডোনার সঠিক পর্যবেক্ষণ হয়নি’ বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। আর ম্যারাডোনার বেঁচে থাকার বিষয়টি ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্ত প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমটি।

ক্লার্নের প্রতিবেদন অনুযায়ী মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ির চেয়ে কোনো মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা হলে ম্যারাডোনার সুস্থতার আরো ভালো সম্ভাবনা থাকত।

রয়টার্সও তদন্ত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি পেয়েছে। তারা জানায়, ম্যারাডোনার মৃত্যু তদন্তে গঠিত প্যানেল বলছে, কিংবদন্তি ফুটবলারের চিকিৎসক দল ‘অনুপযুক্ত, যথেষ্ট নয় এবং যত্নহীন ছিল।’ ম্যারাডোনার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে, তাদের মধ্যে আছেন ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিয়োপোল্ডে লুকে ও মনোবিদ অগাস্টিনা কোসাচভও।

মেডিক্যাল প্যানেল তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, এখন কোনো অভিযোগ আনতে হবে কি-না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রসিকিউটররা। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ক্লার্ন বলছে, এ ক্ষেত্রে হত্যার বিষয় বিবেচিত হতে পারে।

ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর তার দুই মেয়ে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ আনেন। এরপরই এই তদন্ত শুরু হয়।

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক - dainik shiksha বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী - dainik shiksha করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী অনলাইন পরীক্ষা সুফল বয়ে আনবে না : উপাচার্য - dainik shiksha অনলাইন পরীক্ষা সুফল বয়ে আনবে না : উপাচার্য মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা - dainik shiksha মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা ঈদের আগে জামা-জুতার টাকা পেল না শিক্ষার্থীরা, উপবৃত্তি ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ - dainik shiksha ঈদের আগে জামা-জুতার টাকা পেল না শিক্ষার্থীরা, উপবৃত্তি ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে - dainik shiksha এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে - dainik shiksha শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে - dainik shiksha ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে সেহরি ও ইফতারের সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সূচি দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে - dainik shiksha দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ - dainik shiksha ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ please click here to view dainikshiksha website