জাল সনদে ১০ বছর এমপিওভোগ! - বিবিধ - দৈনিকশিক্ষা

জাল সনদে ১০ বছর এমপিওভোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক |

জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ নিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর এমপিওভোগ করেছেন রাজধানীর বংশালের হাম্মাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত শিক্ষক নজরুল ইসলাম। ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে এমপিওভুক্ত তিনি। অবৈধভাবে দশবছর এমপিওভোগ করেছেন এ শিক্ষক। ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে নিয়োগ পেলেও ২০০২খ্রিষ্টাব্দের কাগজে জালিয়াতি করে নিজের নাম বসিয়ে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টাও করেছিলেন এ শিক্ষক। 

সম্প্রতি নজরুল ইসলামের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি জাল বলে প্রমাণিত পেয়েছে এনটিআরসিএ। তাই, জালিয়াত এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার জেলা শিক্ষা অফিস।

জানা গেছে, নজরুল ইসলামের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি জাল বলে অভিযোগ আসলে গত ১৪ অক্টোবর তা যাচাইয়ের জন্য এনটিআরসিএতে পাঠান ঢাকার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেনজীর আহম্মদ। তার সনদটি যাচাই করে তা জাল বলে প্রমাণ পেয়েছে এনটিআরসিএ। গত ৮ নভেম্বর সনদ যাচাই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। 

এনটিআরসিএর সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত যাচাই প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের সনদটি সঠিক নয়। তিনি ১ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দাবি করে যে সনদটি জমা দিয়েছেন তা জাল। এর প্রকৃত মালিকে নাম সেখ মোহাম্মদ মহসীন। সনদ যাচাই প্রতিবেদনটি ঢাকার জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠিয়েছে এনটিআরসিএ। একই সাথে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে। 

এ চিঠি পাওয়ার পরে জাল সনদধারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বেনজীর আহম্মদ। ১৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে। তার নিবন্ধন সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখে তিনি ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করলেও পরবর্তীতে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগপত্র ও কাগজপত্র জালিয়াতি করে তার নাম প্রতিস্থাপন করেন। যা কাগজ পত্রে প্রমাণিত। তাই জালিয়াত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলো দায়ের করতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।  

জালিয়াতির বিষয়ে জানতে জালসনদধারী শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের সাথে দৈনিক শিক্ষাডটকমের পক্ষ থেকে একাধিকবার টেলিফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। 

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE  করতে ক্লিক করুন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের আবেদনে ভুল সংশোধনের সুযোগ - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের আবেদনে ভুল সংশোধনের সুযোগ আসছে বছর থেকেই পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে প্রোগ্রামিং - dainik shiksha আসছে বছর থেকেই পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে প্রোগ্রামিং ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস রুটিন - dainik shiksha ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের ক্লাস রুটিন ইবতেদায়ি ও দাখিল শিক্ষার্থীদের পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ - dainik shiksha ইবতেদায়ি ও দাখিল শিক্ষার্থীদের পঞ্চম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও ইএফটিতে - dainik shiksha প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনও ইএফটিতে ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার দায়িত্ব মাদরাসা বোর্ডের - dainik shiksha ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার দায়িত্ব মাদরাসা বোর্ডের প্রতি স্কুলের তিন শিক্ষককে করতে হবে কৈশোরকালীন পুষ্টি প্রশিক্ষণ - dainik shiksha প্রতি স্কুলের তিন শিক্ষককে করতে হবে কৈশোরকালীন পুষ্টি প্রশিক্ষণ please click here to view dainikshiksha website