নতুন এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বকেয়া নিয়ে অধিদপ্তরের নির্দেশনা - এমপিও - দৈনিকশিক্ষা

নতুন এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বকেয়া নিয়ে অধিদপ্তরের নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক |

নতুন এমপিওভুক্ত ৪৯৯টি মাদরাসার যেসব শিক্ষক কর্মচারী এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, তারা নিয়মিতদের সাথে এমপিও আবেদন করতে পারবেন। তবে, প্রথমে বকেয়া ছাড়া এমপিওভুক্ত হলেও পরের মাসে তারা বকেয়ার আবেদন করতে পারবেন। যেসব স্তর পরিবর্তন হওয়ায় যেসব মাদরাসা প্রধানের বেতন উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত হয়েছে তারাও নিয়মিত আবেদন করে বকেয়া বেতন ভাতা পাবেন। 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাদপড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও ও বকেয়া আবেদনের বিষয়ে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক কে এম নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, নতুন এমপিওভুক্ত মাদরাসার যেসব শিক্ষক-কর্মচারী এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, তারা চলমান নিয়মিত এমপিওর সাথে যথাযথ অনলাইনে আবেদন করে প্রথমে বকেয়া ছাড়াই এমপিওভুক্ত হতে পারবেন। এসব শিক্ষক-কর্মচারী যে মাসে এমপিওভুক্ত হবেন তার পরের মাসের এমপিওতে কাগজপত্রসহ অনলাইনে আবেদন করে বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা আছে, নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাস থেকে বকেয়া বেতন ভাতা পাবেন।

উদাহরণ টেনে চিঠিতে বলা হয়েছে, কোন শিক্ষক কর্মচারী যদি সেপ্টেম্বর মাসে বকেয়া ছাড়া এমপিওভুক্ত হন তাহলে তিনি নভেম্বর মাসের এমপিওতে বকেয়া বেতন ভাতাদির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবার কোন শিক্ষক-কর্মচারী যদি নভেম্বর মাসে বকেয়া ছাড়া এমপিওভুক্ত হয় তাহলে সে জানুয়ারি মাসে এমপিওতে বকেয়া বেতন ভাতার আবেদন করতে পারবেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, যদি কোন শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরিতে প্রথম ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসের পরে যোগদানের করেন, তাহলে তার চাকরিতে প্রথম যোগদানের তারিখ থেকে বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন। তবে কোন শিক্ষক-কর্মচায়ী যদি  ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ এপ্রিলের পরে নিয়োগ পান তাহলে তিনি কোন বকেয়া বেতন-ভাতা পাবেন না।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্তর পরিবর্তনজনিত কারণে যে সকল প্রতিষ্ঠান সুপাররা উচ্চতর স্তরে বা গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন কিন্তু উচ্চতর গ্রেডের বর্ধিত অংশের বকেয়া বেতন-ভাতা পাননি, তারা কাগজপত্রসহ নিয়মিত এমপিওতে অনলাইনে আবেদন করে বর্ধিত অংশের বেতন-ভাতার বকেয়া প্রাপ্য হবেন। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, কোন দাখিল মাদরাসা স্তর পরিবর্তন হয়ে আলিম পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান আগে ৮ গ্রেডে বেতন পেতেন।  আলিম পর্যায়ে উন্নীত হওয়ায় তিনি ৭ নম্বর গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন। কিন্তু বেতন গ্রেড উন্নীত হওয়ার পরেও তিনি বর্ধিত বেতনের বকেয়া পাননি। এ ক্ষেত্রে তিনি যে মাসে উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন সে মাসের আগের মাস পর্যন্ত বকেয়া প্রাপ্য হবেন। যদি তিনি বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট প্রাপ্ত হয়ে আগে বেতন ভাতা গ্রহণ করে থাকেন তাহলে ঐ ইনক্রিমেন্টের টাকাও বকেয়া থেকে কেটে রাখা হবে। তবে, নিম্ন গ্রেডে উৎসব ভাতা তোলার পর ভুতাপেক্ষভাবে উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত হলে উন্নীত গ্রেডে বকেয়া উৎসব ভাতা দাবি করতে পারবেন না।  

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বেতন ভাতার আবেদন অগ্রায়ন বা অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে তথ্য সংগ্রহ অনুসন্ধান বা যাচাইয়ের সুবিধার্থে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিস শিক্ষক কর্মচারীদের তথ্য সংরক্ষণ করবে। 

এ আদেশ শুধু নতুন এমপিওভুক্ত ৪৯৯টি মাদরাসার যেসব শিক্ষক কর্মচারী এমপিওভুক্ত হতে পারেনি তাদের জন্য ও যেসব প্রতিষ্ঠান প্রধান বকেয়া ছাড়াই উচ্চতর গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে সয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল  SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

কঠোর বিধিনিষেধ বাড়তে পারে আরও এক সপ্তাহ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha কঠোর বিধিনিষেধ বাড়তে পারে আরও এক সপ্তাহ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন কিন্ডারগার্টেনের ১০০ শিক্ষক - dainik shiksha প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন কিন্ডারগার্টেনের ১০০ শিক্ষক বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক - dainik shiksha বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দুই ধরনের দুই ডোজ টিকা নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে - dainik shiksha দুই ধরনের দুই ডোজ টিকা নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী - dainik shiksha করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা - dainik shiksha মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা ঘরে বসেই নতুন শিক্ষকদের ১০ দিনের অনলাইন প্রশিক্ষণ - dainik shiksha ঘরে বসেই নতুন শিক্ষকদের ১০ দিনের অনলাইন প্রশিক্ষণ এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে - dainik shiksha এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে - dainik shiksha শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে সেহরি ও ইফতারের সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সূচি দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে - dainik shiksha দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ - dainik shiksha ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ please click here to view dainikshiksha website