নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন শুরু আজ - এমপিও - দৈনিকশিক্ষা

নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন শুরু আজ

রুম্মান তূর্য |

দুই বছর পর আবারও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে যাচ্ছে সরকার। এ জন্য আজ রোববার থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে ননএমপিও স্কুল,কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। 

এমপিওভুক্ত হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতিমাসে বেতন স্কেলের মূল অংশ সরকারের কাছ থেকে পেয়ে থাকেন। এর আগে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের অক্টোবরে দীর্ঘ ৯ বছর পর দুই হাজার ৭৩০টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করেছিল সরকার। তারও আগে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এমপিওভুক্তির দাবিতে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করেছেন।

চলতি শিক্ষাবর্ষে সরকার এমপিওভুক্তির উদ্যোগ নিলেও ননএমপিও শিক্ষকরা বলছেন, নীতিমালা কঠিন  হওয়ায় অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদনই করতে পারবে না। এর ফলে ঠিক কত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হতে পারবে তা নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিক এবং মাধ্যমিক পর্যায় ও স্কুল অ্যান্ড কলেজ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তিতে শর্ত কিছুটা সহজ করা হয়েছে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ ও ডিগ্রি পর্যায়ের কলেজের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তি শর্তের কঠোরতা বেশি বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। 

এ মুহূর্তে সারাদেশের ছয় হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ননএমপিও। বাকিগুলো আংশিক এমপিওভুক্ত অর্থাৎ কোনো কোনো স্তর এমপিওভুক্ত। তারা স্তর পরিবর্তনের এমপিওর জন্য আবেদনের অপেক্ষায়। নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত, মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত এবং উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হওয়াকে ‘এমপিওর স্তর পরিবর্তন’ বলা হয়।

এমপিওর আবেদন যেভাবে : আজ রোববার থেকে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে। অনলাইনে দাখিল করা আবেদন এবার অনলাইনেই মূল্যায়ন করা হবে। এরপর গ্রেডিং করা হবে। সবশেষে সর্বোচ্চ গ্রেডপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তি করার জন্য চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়া হবে। নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তর আবেদন চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ।  মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট (www.shed.gov.bd), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dshe.gov.bd) এবং বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ওয়েবসাইট (www.banbeis.gov.bd) এ অনলাইন এমপিও অ্যাপ্লিকেশন (Online MPO Application) শিরোনামে প্রদর্শিত লিংকের মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল ও কলেজ এমপিওভুক্তির আবেদন করা যাবে। 
আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট (www.tmed.gov.bd), কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.techedu.gov.bd), মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (www.dme.gov.bd) এবং বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ওয়েবসাইট (www.banbeis.gov.bd) এ অনলাইন এমপিও অ্যাপ্লিকেশন (Online MPO Application) শিরোনামে প্রদর্শিত লিংকের মাধ্যমে বেসরকারি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন করা যাবে। 

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন সরাসরি, ই-মেইল বা চিঠির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বা এর অধীনস্থ কোন দপ্তরে গ্রহণ করা হবে না বলেও দুই বিভাগের গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সব কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে। এ পদ্ধতিতে নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

গত মার্চ মাসের শেষে নতুন এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা প্রকাশের আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, নতুন নীতিমালা জারির পর এমপিও আবেদন নেওয়া হবে। নীতিমালা জারির পর এমপিওভুক্তির সফটওয়্যার আপগ্রেড করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুসারে সফটওয়্যারটি আপগ্রেড করা হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দৈনিক আমাদের বার্তাকে জানিয়েছেন।

যেভাবে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি :

গত ২৮ মার্চ জারি করা স্কুল-কলেজের নতুন এমপিও নীতিমালায় নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির পদ্ধতি হিসেবে বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে খতিয়ানভুক্ত ও নামজারিকৃত নিজস্ব ভূমিতে অবকাঠামো ও হালনাগাদ একাডেমিক স্বীকৃতি থাকা সাপেক্ষে স্কুল-কলেজগুলোকে অনলাইনে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে। তবে, যুদ্ধাপরাধী বা ফৌজদারী অপরাধে দুই বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা নেতিবাচক নামের কারণে সমাজে প্রভাব পড়তে পারে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন করতে পারবে না। নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হারের ভিত্তিতে গ্রেডিং করে নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে। 

তিন ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এ গ্রেডিং হবে। সেগুলো হলো, শিক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০ এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হারে ৪০ নম্বর। এসব শর্ত পূরণ করতে পারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবে। তবে এ নীতিমালার ২২ ধারায় বিশেষ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিলের বিধানও রাখা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে, শিক্ষায় অনগ্রসর, ভৌগোলিকভাবে অসুবিধাজনক, পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাঁওড়, চরাঞ্চল, ছিটমহল, বস্তি এলাকা, নারীশিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী যেমন- প্রতিবন্ধী, হরিজন, সেবক, চা-বাগান শ্রমিক, তৃতীয় লিঙ্গ ইত্যাদি এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, চারুকলা, বিকেএসপি, সংস্থা পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনায় শর্ত শিথিলযোগ্য।

শহরের ও মফস্বলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা কাম্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে এমপিও নীতিমালায়। শহরের নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলের ক্ষেত্রে ১২০ জন ও মফস্বলের নিম্নমাধ্যমিক স্কুলের ক্ষেত্রে ৯০ জন কাম্য শিক্ষার্থী থাকতে হবে। শহরের মাধ্যমিক স্কুলের ক্ষেত্রে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণিতে মোট ২০০ জন এবং মফস্বলের মাধ্যমিক স্কুলের ক্ষেত্রে ৪ শ্রেণিতে ১৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। শহরের উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ ২৬০ জন, শুধু মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ ২৮০ জন, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ মোট ৩৬০ জন আর তিন বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ ৪২০ জন কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। আর মফস্বলের উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে শুধু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ ২০০ জন, শুধু মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ ২১০ জন, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ মোট ২৬০ জন, আর তিন বিভাগের শিক্ষার্থী ও স্কুলের শিক্ষার্থীসহ ৩২০ জন কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে।    

উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের ক্ষেত্রে আগে তিন গ্রুপ (বিজ্ঞান, ব্যবসায় ও মানবিক) মিলে ৬০ জন শিক্ষার্থী থাকলেই হতো। নতুন নীতিমালায় শহরের সহশিক্ষা বা ছাত্রদের কলেজের শুধু বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ৭০ জন ও মহিলা কলেজের জন্য শুধু বিজ্ঞান বিভাগে ৬০ জন কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে শহরের উচ্চমাধ্যমিক কলেজের ক্ষেত্রে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা যেকোনো একটি বিভাগ থাকলে ৯০ জন, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিভাগ থাকলে ১৬০জন, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা দুই বিভাগের জন্য ১৮০ জন এবং বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এ তিন বিভাগের জন্য মোট ২৫০ জন কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে মফস্বলের সহশিক্ষা বা ছাত্রদের কলেজের শুধু বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ৬০ জন ও মহিলা কলেজের জন্য শুধু বিজ্ঞান বিভাগে ৫০ জন কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে মফস্বলের উচ্চমাধ্যমিক কলেজের ক্ষেত্রে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা যেকোনো একটি বিভাগ থাকলে ৮০ জন, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিভাগ থাকলে ১৪০ জন, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা দুই বিভাগের জন্য ১৬০ জন এবং বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এ তিন বিভাগের জন্য মোট ২২০ জন কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে।

শহরের স্নাতক কলেজে শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থাকলে এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে উচ্চমাধ্যমিক থাকলে ২৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। আর শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থাকা মহিলা কলেজের কাম্য শিক্ষার্থী ২০৫ জন। স্নাতকে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা যেকোনো একটি বিভাগ থাকলে শহরের কলেজে ২৮০ জন কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিভাগের জন্য শহরের স্নাতক কলেজের কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭০ জন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা দুই বিভাগের জন্য স্নাতক কলেজের কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ জন। স্নাতকে তিনটি বিভাগের জন্য উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীসহ স্নাতক কলেজ এমপিওভুক্তির কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪৯০ জন। 

মফস্বলের স্নাতক কলেজে শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থাকলে এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে উচ্চমাধ্যমিক থাকলে ২১৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। আর শুধু বিজ্ঞান বিভাগ থাকা মহিলা কলেজের কাম্য শিক্ষার্থী ১৭০ জন। স্নাতকে মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা যেকোনো একটি বিভাগ থাকলে মফস্বলের কলেজে ২৪৫ জন কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিভাগের জন্য শহরের স্নাতক কলেজের কাম্য শিক্ষার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২০ জন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা দুই বিভাগের জন্য স্নাতক কলেজের কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫০ জন। স্নাতকে তিনটি বিভাগের জন্য উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীসহ স্নাতক কলেজ এমপিওভুক্তির কাম্য শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪৯০ জন। 

একইভাবে এমপিওভুক্তি পেতে পাসের হারের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন হার নির্ধারণ করা হয়েছে এবার। জেএসসিতে শহর, জেলা সদর বা পৌরসভা এবং মফস্বল এই তিন ক্যাটাগরিতে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের ন্যূনতম হার হতে হবে যথাক্রমে ৭০, ৬৫ ও ৬০ শতাংশ। এসএসসিতে তা ৭০, ৬০ ও ৫৫ শতাংশ। এইচএসসিতে শহরে ৬৫, জেলা সদর ও পৌরসভায় ৫৫ ও মফস্বলে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে পাস করতে হবে। স্নাতক পর্যায়ের কলেজে শহরে ৬০ শতাংশ, জেলা সদরে ৫০ শতাংশ ও মফস্বলের ৪৫ শতাংশ পাসের হার নির্ধারিত হয়েছে।  

জেএসসিতে শহর, জেলা সদর বা পৌরসভা এবং মফস্বল এই তিন ক্যাটাগরিতে অবস্থিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ন্যূনতম পরীক্ষার্থী সংখ্যা হতে হবে যথাক্রমে ৩৫, ৩৫ ও ২৫ জন। এসএসসিতে তা ৩৫, ৩৫ ও ২৫ জন। এইচএসসিতে শহরে ৬০ জন, জেলা সদর ও পৌরসভায় ৬০ ও মফস্বলে কমপক্ষে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী হবে। স্নাতক পর্যায়ের কলেজে শহরে ৭০ জন, জেলা সদরে ৭০ শতাংশ ও মফস্বলের ৬০ জন পরীক্ষার্থী থাকতে হবে।  

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৮ হাজার ৯১০টি। এর মধ্যে স্কুল ১৮ হাজার ১৯৭টি, কলেজ ২ হাজার ৩৬৫টি, মাদরাসা ৭ হাজার ৬১৮টি।

please click here to view dainikshiksha website