ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন ৫৫ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী - দৈনিকশিক্ষা

ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন ৫৫ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

আমাদের বার্তা প্রতিবেদক |

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর নতুন পরিবেশে খাপ খাওয়াতে পারেন না অনেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান, হলের পরিবেশ নিয়ে অসন্তষ্টি, জ্যেষ্ঠ সহপাঠী ও শিক্ষকদের বুলিং, যৌন হয়রানি, ভবিষ্যৎ পেশা নিয়ে দুশ্চিন্তা, মন খুলে কথা বলতে না পারার কারণে হতাশা ও বিষণ্নতায় ভুগতে থাকেন অনেক শিক্ষার্থী। প্রচণ্ড মানসিক অস্থিরতা ও প্রতিকূল পরিবেশে খাপ খাওয়াতে না পারার কারণে ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর মনে আত্মহত্যার চিন্তা জাগে। আর ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা ভবিষ্যৎ পেশাজীবন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশনের এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শুক্রবার বেলা ১১টায় অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির কারণ’ শিরোনামে জরিপের তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, হতাশা, বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার প্রবণতা ঠেকাতে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে চলার মতো প্রস্তত করে তুলতে হবে শিক্ষার্থীদের। তাঁদের মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

জরিপে বলা হয়, প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে হতাশার বিভিন্ন উপসর্গে ভোগেন। তাঁদের ক্লান্তি, ওজন কমে যাওয়া, কোনো কিছু উপভোগ না করা, ঘুমের ধরনের পরিবর্তন, আত্মহত্যার চিন্তা, কাজে মনোযোগ দিতে না পারা ইত্যাদি অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩ শতাংশ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা এ ধরনের উপসর্গের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, প্রায় ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী সরকারি চাকরি করতে চান, প্রায় ১০ শতাংশ ব্যবসা বা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, মাত্র ৭ শতাংশ বেসরকারি চাকরি করতে চান। পেশাজীবন নিয়ে এখনি কোনো ভাবনা নেই প্রায় ২২ শতাংশ শিক্ষার্থীর।

জরিপটি চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মে পর্যন্ত পরিচালিত হয়। দেশের ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১ হাজার ৫৭০ জন শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৫২ শতাংশ ছাত্রী ও ৪৮ শতাংশ ছাত্র। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের বয়স ছিলো ১৭ থেকে ২৬ বছর। বাকি শিক্ষার্থীদের বয়স ২৭ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ২৩ শতাংশ ছিলেন তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল খুলছে ২৬ জুন, শনিবারও ছুটি - dainik shiksha মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল খুলছে ২৬ জুন, শনিবারও ছুটি অতিরিক্ত রাজনীতি শিক্ষাব্যবস্থা নষ্ট করে: ঢাবি ভিসি - dainik shiksha অতিরিক্ত রাজনীতি শিক্ষাব্যবস্থা নষ্ট করে: ঢাবি ভিসি শিক্ষা আমাদেরকে আমলাতান্ত্রিক করছে নাকি আমলাতন্ত্রই শিক্ষাব্যবস্থা সৃষ্টি করেছে - dainik shiksha শিক্ষা আমাদেরকে আমলাতান্ত্রিক করছে নাকি আমলাতন্ত্রই শিক্ষাব্যবস্থা সৃষ্টি করেছে ক্লাসে ছোট বোনকে দুধ খাইয়ে ভাইরাল থাই ছাত্রী - dainik shiksha ক্লাসে ছোট বোনকে দুধ খাইয়ে ভাইরাল থাই ছাত্রী গাজায় ৬ লাখেরও বেশি শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত: জাতিসংঘ - dainik shiksha গাজায় ৬ লাখেরও বেশি শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত: জাতিসংঘ দৈনিক শিক্ষার নামে একাধিক ভুয়া পেজ-গ্রুপ ফেসবুকে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষার নামে একাধিক ভুয়া পেজ-গ্রুপ ফেসবুকে কওমি মাদরাসা: একটি অসমাপ্ত প্রকাশনা গ্রন্থটি এখন বাজারে - dainik shiksha কওমি মাদরাসা: একটি অসমাপ্ত প্রকাশনা গ্রন্থটি এখন বাজারে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা কলেজগুলোর নাম এক নজরে - dainik shiksha র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা কলেজগুলোর নাম এক নজরে বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সোমবার - dainik shiksha বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সোমবার please click here to view dainikshiksha website Execution time: 0.0041317939758301