শপিং মল রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চায় দোকান মালিক সমিতি - বিবিধ - দৈনিকশিক্ষা

শপিং মল রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখতে চায় দোকান মালিক সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

আসছে ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান-শপিং মল খোলা রাখতে চান ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ প্রতিদিন আরও চার ঘণ্টা দোকান খোলা রাখতে চান তারা। বর্তমানে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান ও শপিং মল খোলা রাখার অনুমতি রয়েছে।

আরও পড়ুন : দৈনিক শিক্ষা পরিবারের নতুন সদস্য ‘দৈনিক আমাদের বার্তা’

রাত ১২টা পর্যন্ত শপিং মল খোলা রাখার অনুমতি চেয়ে রবিবার (২ মে) প্রধানমন্ত্রীর দফতরে একটি চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির সভাপতি হেলাল উদ্দিনের সই করা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের কাছে এই অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে হেলাল উদ্দিন বলেন, ভিড় এড়ানোর জন্য আরও চার ঘণ্টা সময় খোলা রাখা দরকার। শেষ বিকাল ও সন্ধ্যায় মানুষের ভিড় কমাতে রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১২টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার অনুরোধ করেছি। তিনি বলেন, অফিসের মানুষ মার্কেটে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কেনাকাটা করেন। এ সময় মার্কেটে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় হয়। বাসায় গিয়ে ইফতার করলে সন্ধ্যা হয়ে যায়। ফলে মার্কেট ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও এক ঘণ্টার জন্য কেউ আসেন না।

দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন

এদিকে দোকান মালিক সমিতির চিঠিতে বলা হয়েছে, দোকান ও মার্কেট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপে ৯৫ শতাংশ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং করছেন। ঈদের মাত্র ১০ দিন বাকি। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতাদের কেনাকাটার স্বার্থে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এতে আরও বলা হয়, সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মার্কেট ও দোকান খোলা থাকলেও সাধারণ ক্রেতারা বিকেল ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে কেনাকাটা শেষ করে বাসায় ইফতার করেন। কারণ, ইফতারের জন্য কোনও হোটেল ও রেস্তোরাঁ খোলা থাকে না। অন্যদিকে বেসরকারি অফিস বিকাল ৪টায় ছুটি হয়।

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক - dainik shiksha বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও স্টাডি সেন্টার বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী - dainik shiksha করোনার প্রভাবে শিক্ষক এখন কচু ব্যবসায়ী অনলাইন পরীক্ষা সুফল বয়ে আনবে না : উপাচার্য - dainik shiksha অনলাইন পরীক্ষা সুফল বয়ে আনবে না : উপাচার্য মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা - dainik shiksha মিতু হত্যা : সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে মামলা ঈদের আগে জামা-জুতার টাকা পেল না শিক্ষার্থীরা, উপবৃত্তি ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ - dainik shiksha ঈদের আগে জামা-জুতার টাকা পেল না শিক্ষার্থীরা, উপবৃত্তি ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সুপারিশ এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে - dainik shiksha এমপিও কমিটির ভার্চুয়াল সভা ১৭ মে শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে - dainik shiksha শিক্ষক পাবেন পাঁচ হাজার, কর্মচারী আড়াই হাজার টাকা করে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে - dainik shiksha ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে সেহরি ও ইফতারের সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সূচি দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে - dainik shiksha দৈনিক আমাদের বার্তায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন ৩০ শতাংশ ছাড়ে ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ - dainik shiksha ‘কওমি মাদরাসায় জাতীয় চেতনা ও সংস্কৃতিবোধ উপেক্ষিত’ please click here to view dainikshiksha website