শিক্ষা আইনে শিক্ষকদের সম্মানের জায়গাটি কোথায়? - শিক্ষাবিদের কলাম - দৈনিকশিক্ষা

শিক্ষা আইনে শিক্ষকদের সম্মানের জায়গাটি কোথায়?

মাছুম বিল্লাহ |

সেই ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে টানা আলোচনার পর প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সহায়ক বই কোচিংসহ যে বিষয়গুলো নিয়ে এতদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে সেই বিষয়গুলো রেখেই খসড়াটি চূড়ান্ত হচেছ। ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে করা একটি আইনেও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নোট-গাইড নিষিদ্ধ তবে নোট-গাইডের নামে অনুশীলন বা সহায়ক বই বাজারে চলছে। এখন প্রশ্ন হচেছ নোট-গাইড আর সহায়ক বইয়ের মধ্যে পার্থক্য কি কি, কিভাবে এগুলো নির্ধারণ করা হবে, কে করবে? তা না হলে দুটো বিষয় এখানে ঝামেলার সৃষ্টি করবে? একটি হচেছ নোট-গাইডগুলোই সহায়ক বই হিসেবে চালানো হবে।

দ্বিতীয়ত, সব জায়াগাতেই উৎকোচের হার বেড়ে যাবে। নোট-গাইড নিষিদ্ধ করা সরকারের একটি প্রশসংনীয়  পদক্ষেপ। সহায়ক বই তৈরির কথা বলা হয়েছে তবে অনুমোদনের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে যা একটি জটিল বিষয়। অনুমোদন নেয়া মানে ঘুষ বাণিজ্যের ব্যাপার আছে, রাজনীতির ব্যাপার আছে। অনুমোদন কে দিবে? প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর ও মাধ্যমিক ও উচচশিক্ষা অধিদপ্তর  নাকি এনসিটিবি নাকি সরাসরি মন্ত্রণালয়? এর যে কোন এক জায়গা থেকে হলেও কাজটি সহজ  নয়। নোট গাইডের প্রকাশকগন এনসিটিবিতে প্রচুর পরিমাণ ঘুষ দিয়ে এসব বইয়ের ব্যবস্থা করেন।বিষয়টি এখন যেন আরও জটিল হলো । অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পকেট আরও ভারী করার ব্যবস্থা যাতে না হয় সেই বিষয়টি কিভাবে দেখা হবে সেটি একটি বড় প্রশ্ন।  তবে, সহায়ক বই থাকতেই হবে কারণ এনসিটবির একটি বই দিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো যায়না। সরকারী অফিস থেকে কোন কিছুর অনুমোদন নেয়া মানে তো কোন ট্রান্সপারেন্ট কাজ নয়। সেই ব্যাপারটি সরকার কিভাবে ম্যানেজ করবে তার কোন বর্ণনা কোথাও দেখা যাচেছনা। 

সব কোচিং সেন্টারকে বৈধতা দেয়া হয়েছে। তবে  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পূর্বনানুমোদনক্রমে পরিচালনা  করা যাবে। শিক্ষক শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলার সময়ে কোচিংয়ে যেতে পারবেনা। বিষয়টি অইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভর্তি, চাকরি, ও এবং এ লেভেল, আইইএলটিএ-জিআরইসহ বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টার চলবে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতাকেও বৈধ করা হচেছ। এক্ষেত্রে শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তা হচেছ এক শিক্ষক তার নিজের শিক্ষার্থীকে নিজের কোচিং সেন্টারে নিতে পারবেন না। এ সিদ্ধান্তগুলোকে সাধুবাদ জানাচিছ। আমাদের শিক্ষকদের অবশ্যই অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। তারা বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শ্রেণিকার্যক্রমের বাইরে কিছু কাজ করে অর্থ উপার্জন করবেন এটিতো করতেই পারেন।কিন্তু বিষয়টি চলে গিয়েছে সীমার বাইরে। যদিও সকল শিক্ষক এর সাথে জড়িত নয় তারপরেও সকল শিক্ষকদের এবং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার বদনাম কুড়ানো হচেছ এর মাধ্যমে। শিক্ষার্থীদের বাধ্য করা নিজের বাসায় পড়তে কিংবা নিজের কোচিংএ যেতে। এটি কোনভাবেই কাম্য নয়। একজন শিক্ষক অন্যান্য পেশার লোকদের মতো কাজ করতে পারেন না, কিন্তু অন্য সব পেশার চেয়েও কিছু সংখ্যক শিক্ষক এ ক্ষেত্রে দৃষ্টিকটু পরিবেশ সৃষ্টি করেন বিধায় এই ধরনের আইন করা হলো। এটি আইনের মাধ্যমে করা  শিক্ষক সমাজের জন্য এক ধরনের লজ্জার বিষয়। তাদের নিজ থেকেই বিষয়টির প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন ছিল অর্থাৎ শিক্ষক নেতাদের এখানে কিছু করার ছিল। তবে, গত এক বছরে কিন্তু এসব বিষয় করোনার কারণেই বন্ধ ছিল।  

 

সংবাদপত্রে বর্তমানে শিক্ষাপাতায় ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের অনুশীলনমূলক পাঠ বা কন্টেন্ট প্রকাশ করছে। এটা প্রকাশ করতে হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। নোট-গাইড বলতে সরকার অনুমোদিত সহায়ক পুস্তক বাদে পাঠ্যবইয়ের বিষয়বস্তুর আলোকে পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলির উত্তর লেখা থাকে যেসব পুস্তকে এবং যা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্য প্রকাশ করা হয়ে থাকে  সেগুলোর প্রকাশ নিষিদ্ধ। বিধানের লঙ্ঘন করা হলে তিন বছরের কারাদন্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ব ঊভয় দন্ড দেয়া যাবে। আর সরকারের অনুমোদিত সহায়ক গ্রন্থ প্রকাশ হলেও তা পাঠে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক বাধ্য করতে পারবে না শিক্ষার্থীদের। পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তু এবং এর আলোকে পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলির উত্তর কোন সংবাদপত্র বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্রকাশ করতে পারবে না। ব্যবসায়িকভাবে পরিচালিত সব ধরনের কোচিং সেন্টার নিবন্ধন নিয়ে চালানো যাবে। এমন বিধানসহ শিক্ষা আইন-২০২১ এর খসড়া চূড়ান্ত করা হচেছ। বর্তমানে দেশে সম্মিলিত কোন শিক্ষা আইন নেই বলে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন। 

য়ে কাজ শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে একাধিকবার অভিমত নেওয়ার পর খসড়া তৈরি হয়। একবার মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনও করা হয় কিন্তু নানা অসংগতির কারণে তা ফিরিয়ে দেয়া হয়। আইনে পাঁচ স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে আছে প্রথম শ্রেণির আগের প্রাক-প্রাথমিক, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক, দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি উচচ মাধ্যমিক এবং এরপরে উচচশিক্ষা স্তর। তবে এখন যে স্তরই চালু থাকুক না কেন সরকার শিক্ষার স্তর ( প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) পুননির্ধারন করতে পারবে বলে প্রস্তাবিত আইনে উল্লেখ আছে। ২০১০ সালে সংসদে পাস করা শিক্ষানীতিতে প্রাক-প্রাথমিক বাদে তিন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের কথা বলা আছে। ড.কুদরত-এ-খুদা কমিশনের প্রতিবেদনেও অনুরূপ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের সুপারিশ ছিল।আইনে সব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব আছে। এটা শিশুর মৌলিক অধিকার হিসাবে গণ্য হবে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে দেশের মধ্যে চালু সব ধারায় অভিন্ন পাঠ্যপুস্তক বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানো হবে। এ পাঠ্যপুস্তক, এর শিক্ষাক্রম ইত্যাদি তৈরি ও প্রকাশ করবে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। বিদেশি শিক্ষক্রমের আওতায় ( ইংরেজি মাধ্যমসহ অন্য মাধ্যম) পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত বিষয়ও বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর বাত্যয় ঘটালে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা যাবে। কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে। মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার একটি জাতীয়  ন্যাশনাল কারিকুলাম পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করবে, এটিও একটি কার্যকরী পদক্ষেপ যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়। তবে, বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও অষ্টম শ্রেণিতে চলমান পরীক্ষা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি এই শিক্ষা আইনে,পরীক্ষাদুটো নিয়ে কথা বলার  প্রয়োজন ছিল। বাংলা ভার্সন ও ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশনসহ সব ফি সরকার ঠিক করে দেবে। অনুমেদান ছাড়া ফি আদায় করা যাবেনা। দেশের ভেতরে চালাতে হলে সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন থাকতে হবে। নিবন্ধিত ট্রাস্ট বা সংস্থা সরকারের অনুমোদনক্রমে প্রতিষ্ঠান স্থাপন করলেও এর আলাদা ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। কোনক্রমেই প্রতিষ্ঠানের আয়ের টাকা সংস্থা, ট্রাস্ট বা অন্যত্র স্থানান্তর করা যাবেনা। 

জনসংখ্যার ঘনত্বসহ সাতটি কারণে সরকার প্রাথমিক থেকে উচচশিক্ষার স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন বা পুন:স্থাপন করতে পারবে। আবার প্রয়োজন না থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত, একীভূত অর্থাৎ পাশ^বর্তী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ করানো বা স্থানান্তর করা যাবে। ইচেছ হলেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবেনা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে যা সংশ্লিষ্ট আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। কোন শিক্ষক নৈতিকতাবিরোধী কর্মকান্ডে জড়ালে তার শিক্ষক নিবন্ধন বাতিল করা যাবে। জাল সনদে চাকরি নিলে তা ১৮৬০ সালের আইনের অপরাধ বলে গণ্য হবে। সরকার মনে করলে সব ধরনের মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা তদুর্ধ্ব পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ তিন বছরের জন্য নিয়োগ দিতে পারবে। এছাড়া সরকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্য থেকেও একই ধরনের পদে নিয়োগ দিতে পারবে। শিক্ষা আইনের খসড়ায় নয়টি কারণে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিও আংশিক বা পুরোটা সাময়িকভাবে বন্ধ ও কর্তন এবং বাতিলের কথা বলা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি এর চেয়ারম্যান কার্যপরিধির বাইরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এবং এ কারণে কোন অনিয়ম বা পাঠদান বাধাগ্রস্ত হলে কমিটি সার্বিকভাবে বা ক্ষেত্রমতে চেয়ারম্যান দায়ী হবেন। এমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ উক্ত কমিটি বাতিল বা ক্ষেত্রমতো চেয়ারম্যানকে অপসারণ করতে পারবে। এসব ক্ষেত্রে এলাকার প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এসব কমিটিতে থাকেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া কতটা সম্ভব হবে তার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। 

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তির ওপর বিধিনিষেধ এবং শিক্ষক সুরক্ষার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা ও ধারাবাহিক পদ্ধতিতে মূল্যায়নের অধীনে আনা হবে। এটিতো অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার মতো কথা কিন্তু এর সাথে জড়িত অনেক বিষয়। সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষকদের সে ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে। পরীক্ষায় নকলে সহায়তা করা এবং পরীক্ষা প্রশ্ন ফাঁস ও এতে সংশ্লিষ্টতা দন্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের জন্য দুই বছর কারাদণ্ড অথবা দুই লাখ টাকা দণ্ড বা উভয়দণ্ড দেয়া যাবে। এটিও সমর্থন করি।

তবে, একটি বিষয় এখানে খেয়াল রাখতে হবে যে, সকল আইন শুধু শিক্ষকদের ভীতির মধ্যে রাখার জন্য যেন না হয় কারণ শিক্ষকগণ এই সমাজেরই মানুষ। এ সমাজে কারা ঘুষ খাচেছন, কারা বিদেশে অর্থ পাচার করছেন সেগুলো আমরা পত্র-পত্রিকায় অহরহ দেখছি। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট কতটা সোচ্চার আর কতটা কি করতে পারছে সেটি খেয়াল রাখতে হবে। সব আইন কানুন নিরীহ শিক্ষকদের উপরে এবং কথায় কথায় তাদের ভীতি প্রদর্শন করা শিক্ষার জন্য কতটা আনন্দদায়ক এবং সঠিক পরিবেশ সৃষ্টি পক্ষে সহায়ক হবে সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। এমনিতেই মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসতে চান না, তাদেরকে শিক্ষকতায় কিভাবে আকৃষ্ট করতে হবে তার একটি নির্দেশনা এখানে থাকা উচিত ছিল। 

লেখক : মাছুম বিল্লাহ, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক

বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভর্তির আবেদন ১ এপ্রিল থেকে, পরীক্ষা শুরু ১৯ জুন - dainik shiksha বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভর্তির আবেদন ১ এপ্রিল থেকে, পরীক্ষা শুরু ১৯ জুন শিক্ষা অধিদপ্তরের চার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০ মার্চ, আসনবিন্যাস প্রকাশ - dainik shiksha শিক্ষা অধিদপ্তরের চার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০ মার্চ, আসনবিন্যাস প্রকাশ তিনদিনের মধ্যে সব কলেজের জমির দলিল-নামজারিপত্র পাঠানোর নির্দেশ - dainik shiksha তিনদিনের মধ্যে সব কলেজের জমির দলিল-নামজারিপত্র পাঠানোর নির্দেশ ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুরু ১৫ মার্চ - dainik shiksha ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুরু ১৫ মার্চ দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু ২৬ মার্চ - dainik shiksha দাখিল পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ শুরু ২৬ মার্চ নারীর অসম্মানকারীরা ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিবাদ ফিরে আসবে : শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha নারীর অসম্মানকারীরা ক্ষমতায় গেলে জঙ্গিবাদ ফিরে আসবে : শিক্ষামন্ত্রী ঘুষ ছাড়া কথাই বলেন না অফিস সহকারী, হয়রানিতে শিক্ষকরা - dainik shiksha ঘুষ ছাড়া কথাই বলেন না অফিস সহকারী, হয়রানিতে শিক্ষকরা প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি আরেকদফা পেছাল - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি আরেকদফা পেছাল please click here to view dainikshiksha website