‘আশ্বাস ভেঙে ১২তম গ্রেড বৈষম্য নিরসনে টালবাহানা’ - সমিতি সংবাদ - দৈনিকশিক্ষা

‘আশ্বাস ভেঙে ১২তম গ্রেড বৈষম্য নিরসনে টালবাহানা’

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে বেতন দেয়ার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোয় তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো: সিদ্দিকুর রহমান। একই সাথে একাধিকবার আশ্বাস দিয়েও এ  সুপারিশ করায় বৈষম্য নিরসনে সংশ্লিষ্টরা 'টালবাহানা' করছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। শুক্রবার (২ আগস্ট) দৈনিক শিক্ষাডটকমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে বৈষম্য নিরসনে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেয়া দাবি জানিয়েছেন এ শিক্ষক নেতা।

গত ১২ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেড আর প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষক নেতা মো: সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করেছিলেন। বৈষম্য দূর করার প্রত্যয় নিয়েই একই পথে এগিয়েছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে, বেশ কিছুদিন ধরে বৈষম্যের অভিযোগ এনে ১১তম গ্রেডে বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলন করেছেন সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। তাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নানা সময় বেতন বৈষম্য দূর করার আশ্বাসও দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় 'সংশ্লিষ্টরা'। সে আশ্বাসের কথা প্রচার হয়েছে গণমাধ্যমেও। কিন্তু প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১২ তম গ্রেডে বেতন দেয়ার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোয় বেতন বৈষম্য দূরীকরণে 'গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে'। 

একাধিকবার বৈষম্য দূর করার আশ্বাস দিয়েও সংশ্লিষ্টরা 'টালবাহানা' করছেন। এ প্রস্তাবে সারাদেশের সহকারী শিক্ষকরা আশাহত। তাই, সহকারী শিক্ষকদের ১২ তম গ্রেডে বেতন দেয়ার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোয় তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করছেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সভাপতি।

তিনি আরও বলেন, '২০১৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রাথমিকের শিক্ষকদের দেয়া কোন আশ্বাসই বাস্তবায়ন করা হয়নি'।

বিবৃতিতে, বৈষম্য দূরীকরণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেয়ার দাবি জানান এ শিক্ষক নেতা। একই সাথে শিক্ষক নেতা মো: সিদ্দিকুর রহমান মনে করেন, সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির আশা মেটাতে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা হলে 'সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের ১১ তম গ্রেডে মূল বেতন প্রদান এবং সহকারী প্রধান শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা দেয়ার মাধ্যমে বৈষম্য দূর করা সম্ভব'

শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়লো - dainik shiksha শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়লো ফেব্রুয়ারিতে খুলতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - dainik shiksha ফেব্রুয়ারিতে খুলতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি কলেজের ১৮ শিক্ষককে বদলি, নানা প্রশ্ন - dainik shiksha সরকারি কলেজের ১৮ শিক্ষককে বদলি, নানা প্রশ্ন পাঁচটি করে গাছ রোপন করতে হবে সব মাদরাসা শিক্ষার্থীকে - dainik shiksha পাঁচটি করে গাছ রোপন করতে হবে সব মাদরাসা শিক্ষার্থীকে প্রসঙ্গ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসরকালীন সুবিধা - dainik shiksha প্রসঙ্গ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবসরকালীন সুবিধা ১ হাজার ২১১ শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হচ্ছেন - dainik shiksha ১ হাজার ২১১ শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হচ্ছেন উচ্চতর গ্রেড পাচ্ছেন ২ হাজার ৩৩০ শিক্ষক - dainik shiksha উচ্চতর গ্রেড পাচ্ছেন ২ হাজার ৩৩০ শিক্ষক বিএড স্কেল পাচ্ছেন ৯০৮ শিক্ষক - dainik shiksha বিএড স্কেল পাচ্ছেন ৯০৮ শিক্ষক ডিগ্রি পাস কোর্স ২য় বর্ষের পরীক্ষা শুরু ১৩ ফেব্রুয়ারি - dainik shiksha ডিগ্রি পাস কোর্স ২য় বর্ষের পরীক্ষা শুরু ১৩ ফেব্রুয়ারি please click here to view dainikshiksha website