মা-মেয়ের একসঙ্গে গ্রাজুয়েশন! - বিদেশে উচ্চশিক্ষা - Dainikshiksha

মা-মেয়ের একসঙ্গে গ্রাজুয়েশন!

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

পড়াশোনার কোনো বয়স নেই। সেটি আরেকবার প্রমাণ করলেন সৌদির একজন মা। তার বহুদিনের ইচ্ছা ছিল যে তিনি কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করবেন। শেষপর্যন্ত তিনি সেটি করলেনও। তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে সালেহা আসসিরি নামের ওই নারী তার মেয়ে মারামের সঙ্গে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করেছেন। খবর খালিজ টাইমসের।

হাইস্কুল শেষ করার আগেই বিয়ে হয়ে যায় সালেহার। কিন্তু দমে থাকেননি তিনি। সব প্রতিকূলতা মাড়িয়ে কিং খালিদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন সালেহা। আর তার মেয়ে গ্রাজুয়েট করেন বিজনেস থেকে।

আল আরাবিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সালেহা বলেন, পড়াশোনা শুরু ও ডিগ্রি অর্জন করতে আমাকে অনেক কাঠখড় পোহাতে হয়েছে। আমি এখন চাকরি করতে চাই। আমি সবসময়ই পড়াশোনা করতে চেয়েছি। কিন্তু হাইস্কুল শেষ করার আগেই আমার বিয়ে হয়ে যায় এবং আমরা পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় চলে যাই। আর আমার সন্তান হওয়ার পর পড়াশোনা করার বিষয়টি আরও কঠিন হয়ে যায়।

হাল ছাড়েননি সালেহা

সালেহা বলেন, আমার মার উৎসাহেই আমি পড়াশোনা ফিরে আসার আইডিয়া পাই। আমার মেয়ে মাধ্যমিক স্কুলের পড়াশোনা শেষ করলে বছর দুয়েক আগে আমি আবহা ফিরে আসি। কিন্তু যেহেতু আমি একজন গৃহিণী এবং আমার দায়িত্বও অনেক। তারপরও আমি পড়াশোনা করার আইডিয়াটাকে নিজের মনের মধ্যে গেঁথে নেই।
সালেহা আরও বলেন, যেদিন আমি কলেজে চান্স পাই ওইদিনটি আমার জন্য বেশ আনন্দের ছিল। তিনি বলেন, আমার ছেলে-মেয়ে ও বন্ধুবান্ধবরা আমাকে পড়াশোনা ও কাজকর্মে সাহায্য করেছে।
তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে গেলো বছরই সালেহার মা মারা গেছেন। তাই নিজের সন্তানের গ্রাজুয়েশন দেখে যেতে পারেননি তিনি।

একাদশের শিক্ষার্থীদের গ্রুপ-ভার্সন পরিবর্তন ও টিসি কার্যক্রম ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত - dainik shiksha একাদশের শিক্ষার্থীদের গ্রুপ-ভার্সন পরিবর্তন ও টিসি কার্যক্রম ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণে জাতিসংঘের প্রস্তাব মহান অর্জন: প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণে জাতিসংঘের প্রস্তাব মহান অর্জন: প্রধানমন্ত্রী মাদরাসা গেইটের সামনের দোকান না রাখার নির্দেশ - dainik shiksha মাদরাসা গেইটের সামনের দোকান না রাখার নির্দেশ স্বপদে বহাল রেখে শিক্ষক ফারহানাকে শাস্তি দিল কর্তৃপক্ষ - dainik shiksha স্বপদে বহাল রেখে শিক্ষক ফারহানাকে শাস্তি দিল কর্তৃপক্ষ ৪৪ সরকারি কলেজে নতুন উপাধ্যক্ষ - dainik shiksha ৪৪ সরকারি কলেজে নতুন উপাধ্যক্ষ সেই শিক্ষককে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হবে - dainik shiksha সেই শিক্ষককে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হবে দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিবারের প্রিন্ট পত্রিকা ‘দৈনিক আমাদের বার্তা’ - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষাডটকম পরিবারের প্রিন্ট পত্রিকা ‘দৈনিক আমাদের বার্তা’ please click here to view dainikshiksha website