শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ডিসি-ইএনওদের দরকার নেই - মতামত - দৈনিকশিক্ষা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ডিসি-ইএনওদের দরকার নেই

অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী |

কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারীরা গত জুন মাসের বেতন ঈদের বহু পরে পেয়েছেন। যথা নিয়মে ঈদের আগে পাওয়ার কথা। জুলাই মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা ছিল। মুসলমানদের সর্বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। সঙ্গত কারণে এই ঈদে খরচ অনেক বেশি হয়ে থাকে। বেতন যথাসময়ে দেয়ার মত সময় হাতে ছিল। তদুপরি ঈদের আগে বেতন না দেবার বিষয়টি আমার কাছে সত্যি দুঃখজনক লেগেছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুশোচনা ছিল না। শিক্ষক নেতাদেরও কিছু বলতে শুনিনি। কেবল যার জ্বালা, তাকে সইতে হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারীরা কিভাবে এবারের ঈদটি উদযাপন করেছেন, সে কেবল আল্লাহ মাবুদ জানেন। কারিগরি শিক্ষকদের পৃথক কোনো সমিতি আছে কি-না, জানা নেই। তাদের স্বার্থ দেখার জন্য পৃথক সংগঠন থাকলে ভাল হয়। কেবল দালালি ও চামচামির জন্য সমিতি বা সংগঠনের প্রয়োজন নেই।

সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীদের স্বার্থ দেখার মত সংগঠন চাই। শিক্ষক ও কর্মচারীবান্ধব নেতা চাই। যারা ঈদের সময় বেতন দিতে বিলম্ব করেছে, তাদের ধিক্কার জানানো উচিত। এরা নিজের শিক্ষককে সম্মান করতে শেখেনি বলেই এমন একটি জঘন্য কাজ করতে পেরেছে।

একজন শিক্ষকের কয় টাকা বেতন? সিকি বোনাস আর সামান্য যে কটি টাকা বেতন পান, তা সময়মত দিয়ে দিতে সমস্যা কোথায়? আসলে বেসরকারি শিক্ষকদের নিয়ে আমলাদের অবহেলা ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের এটি আরেক উদাহরণ। কারিগরি অধিদপ্তরে যারা কাজ করে, তাদের কি ন্যূনতম কাণ্ডজ্ঞান নেই? তাদের কি বউ-বাচ্চা নেই? এদের নিয়ে কি তারা ঈদ করে না?  

বেসরকারি শিক্ষকদের ইএফটিতে বেতন দেবার বিষয়টি বহুদিন থেকে শুনে আসছি। এ নিয়ে সর্বশেষ আপডেট জানা নেই। এটি হয়ে গেলে তাদের বেতন বিড়ম্বনার অবসান হতে পারত। মনে হয়, কেউ ইচ্ছে করে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে। তা না হলে সেটি আলোর মুখ দেখছে না কেন? যেটুকু মনে পড়ে, দেড়-দুই বছর আগে ইএফটিতে বেতন দেবার জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য ফরম পূরণ করে নেয়া হয়েছে। এরপর থেকে আর কোনো খবর নেই। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা কোন তারিখে পূর্ববর্তী মাসের বেতন পাবেন, তা জানার জন্য সংবাদ মাধ্যমের ওপর নির্ভর করতে হয়। অন্য পেশার লোকজন তাদের বেতন মাসের একটি নির্দিষ্ট তারিখে পেয়ে থাকেন। আগে থেকে সেটি জানা থাকে। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা দৈনিক আমাদের বার্তার সহযোগী অনলাইন সংবাদমাধ্যম দৈনিক শিক্ষাডটকমে নিউজ আসার আগ পর্যন্ত জানতে পারেন না, কোনদিন তারা বেতন পাচ্ছেন। বেতন ছাড় হলে এই জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকাটি যত দ্রুত সম্ভব সবার আগে খবরটি শিক্ষক-কর্মচারীদের জানিয়ে দেয়। এ জন্য বেসরকারি শিক্ষকদের আস্থার ঠিকানা হলো দৈনিক শিক্ষা। বেতন পাওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ আগে থেকে না জানার বিষয়টি সত্যি দুঃখজনক।

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন বিড়ম্বনার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। প্রতিমাসে বেতন বিলের সাথে অঙ্গীকারনামা দেয়া সত্যি লজ্জাষ্কর। কোনো কোনো জায়গায় কমিটি ও সভাপতিকে ম্যানেজ করে বেতন বিলে সভাপতির স্বাক্ষর নিতে হয় বলে শোনা যায়। প্রতি অর্থবছরে একবার শিক্ষক ও কমিটিকে স্ট্যাম্পে আলাদা অঙ্গীকারপত্র দিতে হয়। কী তাজ্জব ব্যাপার! নিজের বেতন নিতে অন্য পেশার কাউকে কোনোদিন স্ট্যাম্প দিতে শুনিনি। কেবল শিক্ষকদের বেলায় যতসব আজগুবি কায়-কারবার। 

আমাদের মানসিকতার কখন উন্নতি হবে? শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা না দিয়ে কে কোথায় বড় হয়েছে?

গত কয়েকদিন থেকে শোনা যাচ্ছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সপ্তাহে তিনদিন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। কারা সুপারিশ করেছে? কোনো কিছু হলেই শিক্ষা ও শিক্ষকদের ওপর এদের কুনজর পড়ে। সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হলে শিক্ষা ও শিক্ষকদের নিয়ে কোনো বাজে চিন্তা করতে পারত না। এসব আত্মঘাতী সুপারিশ ছাড়া কিছু নয়। এমনিতে করোনাকালে দুই বছরের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। লেখাপড়ার বারোটা বহু আগেই বেজে গেছে। এখন করোনাকালের শিখন ঘাটতি পূরণের কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার সময়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মঘণ্টা বাড়ানো যেতে পারে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে যা কিছু মনে চায় বন্ধ করুন, কিন্তু দয়া করে একদিনের জন্যও আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করবেন না। জাতিটাকে ধ্বংস করার চিন্তা বাদ দিন। এমনিতে আমরা অনেক পিছিয়ে গেছি। 

গত মাসে দীর্ঘ তিনযুগের শিক্ষকতা জীবনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটিয়ে মনটা এখন তেমন ভালো নেই। মনেপ্রাণে ভালবেসে শিক্ষকতায় এসেছিলাম। বেতন কিংবা চাকরি নয়, নেশার ঘোরে পড়ে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছি।  সরকারি নিয়মে আরও চার বছর শিক্ষকতা করতে পারতাম। কিন্তু কেন জানি এই মহান পেশাটি আর চালিয়ে নিতে মন সায় দিচ্ছিল না। দিনে দিনে শিক্ষকতার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছিলাম। শুরুতে যে উৎসাহ নিয়ে শুরু করেছিলাম, শেষ অবধি সেটি আর অবশিষ্ট থাকেনি। গত শতকের নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে আমি যখন শিক্ষকতা পেশায় আসি, তখন সমাজে একেকজন শিক্ষকের অতুলনীয় সম্মান ও মর্যাদা ছিল। এটি এখন সচরাচর পরিলক্ষিত হয় না। তখন শিক্ষক বেতন যা-ই পান না কেন, সমাজের সব শ্রেণির মানুষ তাঁকে অন্য চোখে দেখতেন। শিক্ষক ছিলেন সমাজের অগ্রগণ্য ব্যক্তি, সকলের শ্রদ্ধেয় মানুষ। একজন শিক্ষক সকলের অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় ছিলেন। একটি অঞ্চল তথা সমাজে আলোকবর্তিকা বলতে সকলে শিক্ষককে বুঝতেন। অন্য কাউকে নয়। 

প্রায় প্রত্যেক শিক্ষক ছিলেন একেকজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব ও অনন্য চরিত্রের অধিকারী। আজ টিউশনি, প্রশ্নফাঁস, নোট-গাইড বাণিজ্য ইত্যাদি নানা বিতর্কে অনেক শিক্ষক জড়িয়ে পড়ছেন, যা গোটা শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। শিক্ষকের শাসনের অধিকার এখন নেই। ছাত্ররা আগের মত শিক্ষককে মান্যগণ্য করে না। ছাত্র-শিক্ষক মধুর সম্পর্কটি এখন কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।  শিক্ষকেরা নানা জায়গায় অপমান ও নির্যাতনের শিকার। অনেক ক্ষেত্রে তারা কমিটি তথা সরকার দলীয় টোকাই নেতাদের কাছে পর্যন্ত জিম্মি ও অসহায়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর টিএনও এবং ডিসিদের নজরদারি প্রতিষ্ঠার একটি সার্কুলারের খবর দেখলাম দৈনিক শিক্ষাডটকম-এ।  এটি দেখে অনেক শিক্ষক বন্ধু উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তারা হয়তো মনে করছেন, এতে করে কমিটির কর্তৃত্ব খর্ব হয়ে গেছে। আমি এতে ভালো কিছু দেখি না। কথায় বলে, সব শৃগালের একই ডাক। এই ইউএনও, ডিসিদের অনেকেই শিক্ষকদের পাত্তা দেন না। নিজেদের শিক্ষকদের চেয়ে বড় কিছু মনে করেন। এরা আমলা। আমলাদের কারণে শিক্ষকেরা সময়মত বেতন পান না। শতভাগ উৎসবভাতা, সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসাভাতা পাওয়ার পথে এরাই মূল প্রতিবন্ধক। এদের কারণে শিক্ষা সরকারিকরণ হয় না। এরা শিক্ষকদের চেয়ে জনপ্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক কর্মীদের বেশি সমীহ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর এদের মনে হয় কুনজর পড়েছে। নিশ্চয় তাদের কোনো কুমতলব আছে। তা না হলে ডিসিদের সম্মেলনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর তদারকির ক্ষমতা তারা কেন চান? এত খায়েশ কীসের?  কারণে অকারণে এরা প্যাঁচাল বাড়াবেন বলে মনে হয়।

কোথাও কোথাও অ্যাডহক কমিটিতে টিএনও বা ডিসিরা সভাপতি হলে দৈনন্দিন অনেক কাজে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় যে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হয়, তা কেবল ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠান প্রধানরাই জানেন। কমিটি ও আমলাদের হাত থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যত দূরে রাখা যাবে, ততই মঙ্গল। শিক্ষকদের মনপ্রাণ খুলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবেশ তৈরি করে দিন। জাতিকে কোনোদিন পেছনে ফিরে থাকাতে হবে না।আমলাদের দিয়ে শিক্ষকদের আর কোণঠাসা করার প্রয়োজন নেই।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন গত মাসে পদত্যাগ করেছেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনিই দায়িত্ব পালন করে যাবেন। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের যিনি নতুন নেতা নির্বাচিত হবেন, তিনিই হবেন ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। দলীয় এমপিদের ভোটে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাবেক চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক এবং ফরেন সেক্রেটারি লিজ ট্রাস। এমপিদের সর্বশেষ ভোটাভুটিতে ঋষি সুনাক এগিয়ে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে দলের তৃণমুল সদস্যরা এই দু'জনের মধ্য থেকে একজনকে দলীয় প্রধান তথা ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবেন। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কনজারভেটিভ দলের সাধারণ সদস্যরা ভোট দেবেন। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর এই ভোটের ফল জানা যাবে। গত ২০ জুলাই এমপিদের সর্বশেষ ভোটে ঋষি সুনাক ১৩৭ ভোট এবং লিজ ট্রাস ১১৩ ভোট পান। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক এমপিদের ভোটে এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ফরেন সেক্রেটারি লিজ ট্রাস কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সদস্যদের ভোটে ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন বলে অনেকের ধারণা। এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে এখানে কোনো হৈ চৈ নেই। আমাদের দেশের মত কোনো সভা, সমাবেশ, মিটিং, মিছিল কিছুই চোখে পড়ে না। কেবল সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচার প্রচারণা চলছে। সর্বশেষ উভয় প্রার্থী বিভিন্ন চ্যানেলে মুখোমুখি বিতর্কে অবতীর্ণ হচ্ছেন। নিজেদের বক্তব্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরছেন। কাদা ছোড়াছুড়ি নেই। পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বক্তব্য রাখছেন। সমালোচনা করছেন। নিজেদের পরিকল্পনা উপস্থাপন করছেন। গত কয়েকদিনে ম্যানচেস্টার, কার্ডিফ, সোয়ান সি, লন্ডন, ক্যামব্রিজ, ব্রিস্টল ইত্যাদি শহর ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ আমার হয়েছিল। ব্রিটেনের এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে কোথাও কোনো মিটিং-মিছিল দেখিনি। কোনো পোস্টার কিংবা ব্যানার চোখে পড়েনি। আমাদের দেশে একেকটি নির্বাচনে কেবল ব্যানার আর পোস্টারের পেছনে কত টাকা ব্যয় হয়, সে হিসেবটি আমাদের নির্বাচন কমিশনও জানে কি-না কে জানে? নির্বাচনী সহিংসতার নামগন্ধ এখানে নেই। আমাদের প্রতিটি নির্বাচনে কত প্রাণহানি ঘটে। নির্বাচন এলে কিংবা যে কোনো ধরনের নেতা নির্বাচনের সময় আমাদের দেশে এক ধরনের অস্থির পরিবেশ সৃষ্টি হয়ে যায়। টাকার ছড়াছড়ি শুরু হয়। টাকা ও পেশির জোরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অযোগ্যরা যোগ্যদের পরাজিত করে। এখানে এসব কিছু নেই। আমাদের দেশে এমন একটি নির্বাচনী পরিবেশ কোনোদিন দেখে যেতে পারব কি-না, সে কেবল আল্লাহ মাবুদই জানেন।

লেখক  : অধ্যক্ষ মুজম্মিল আলী, আবাসিক সম্পাদক, দৈনিক শিক্ষাডটকম ও দৈনিক আমাদের বার্তা। বর্তমানে লন্ডনপ্রবাসী। তিনি প্রাক্তন অধ্যক্ষ, চরিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কানাইঘাট, সিলেট।

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা এ বছরের শেষে - dainik shiksha ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা এ বছরের শেষে স্কুল-কলেজে র‌্যাগ ডের নামে ডিজে পার্টি-গুন্ডামি নয় - dainik shiksha স্কুল-কলেজে র‌্যাগ ডের নামে ডিজে পার্টি-গুন্ডামি নয় সরকার সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে : জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha সরকার সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে : জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসএসসির সনদ বিতরণ শুরু ২১ আগস্ট - dainik shiksha এসএসসির সনদ বিতরণ শুরু ২১ আগস্ট হিজাব কাণ্ড : শোকজের জবাব দেয়ার ৭ মিনিট পরই শিক্ষক বরখাস্ত - dainik shiksha হিজাব কাণ্ড : শোকজের জবাব দেয়ার ৭ মিনিট পরই শিক্ষক বরখাস্ত শিক্ষক নিয়োগ : অর্ধলক্ষ শূন্যপদের প্রত্যাশা, আসছে সংশোধনের সুযোগ - dainik shiksha শিক্ষক নিয়োগ : অর্ধলক্ষ শূন্যপদের প্রত্যাশা, আসছে সংশোধনের সুযোগ please click here to view dainikshiksha website