মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ আরিফুল ইসলাম, ৩০ অক্টোবর, ২০২০
২০০৫ সালের পুর্বে যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের সার্টিফিকেটও যাচাই করতে হবে।
মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
প্রধান শিক্ষকগণ কখনো এসব তথ্য দিতে চাইবেন না, কারণ এদের নিয়োগের সাথে প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা অফিসার সরাসরি জড়িত। তাই সঠিক তথ্য পেতে চাইলে, সকল শিক্ষককে সার্টিফিকেটসহ এনটিআরসিএ অফিসে স্বশরীরে হাজির হতে বলুন। তাহলেই কেবল সফলভাবে জালসনদধারীদের চিহ্নিত করতে পারবেন।
MD.EDRISH ALI, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
নন এম পি ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল সঠিক নিবন্ধনধারি শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এম পি ও দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি যাতে তাদের জীবনটা রক্ষা পায়!আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন আমিন|
Mozaffor hossain, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
জাল সনদধারীদের উপার্জনের টাকা নন এমপিও শিক্ষকদের মধ্যে বিতরণের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
MD.AMINUL ISLAM, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
এনটিআরসিএ কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দেরিতে হলেও পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য।কিন্তু পরিতাপের বিষয় উপজেলা কিংবা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেন না,কারন তারাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।অনেক প্রধান শিক্ষক মহোদয় তো এনটিআরসিএ কে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে বলে আমরা কি এনটিআরসিএ এর চাকরি করি।তাই সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এনটিআরসিএর সনদপত্র কঠোর ভাবে যাচাই করা হোক। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কিংবা শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের নিকট কর্মরত নিবন্ধনধারী সকল শিক্ষকের সনদপত্র গ্রহণ করে যাচাই করা হোক।এর ফলে শত শত প্রকৃত নিবন্ধনধারীদের শিক্ষকতার পথ উম্মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।