মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD. ABDUL WAHID, ২০ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে আমি অনেকটাই একমত। তবে এর সাথে কিছুটা যোগ করে বলতে চাই, আমার মনে হয় বাস্তবে সরকারীর চেয়ে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া ভালো হয়। ভালো শিক্ষার্থীরা সরকারী প্রতিষ্ঠানে পড়ে রেজাল্ট ভালো করে, ফলে নাম হয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু এই ভালো শিক্ষার্থীদের গোড়াটা বেসরকারীতেই মজবুত হয়। তবে সবচেয়ে আসল কথা হচ্ছে স্কুল সরকারী করলেন না বেসরকারী করলেন ততে আসে যায় না। প্রয়োজন শিক্ষকদের মুল্যায়ন করা। তাদের মেধার মুল্যায়ন করা। তাদের যতটা মূলায়ন করা হবে দেশ ততটাই এগিয়ে যাবে বলে আমি আশা করি। যেমনটা হয় উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে। তাই আমি মনে করি শিক্ষকের সমস্ত দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। তবেই একজন শিক্ষক জাতির ভবিষ্যতকে কিছু দিতে পারবে।
Nikhil roy, ২০ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রকৃত অবস্থা আপনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন।অন্য কেউ নয়।আপনি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু আপনার স্বপ্ন দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। কিন্তু প্রত্যেক থানায় একটি স্কুল এবং একটি কলেজ সরকারি করণ করে আপনি সে আশা পূরণ করতে পারবেন না। কারণ থানা সদর গুলোতে আপনার দুঃখি মানুষ এখন কম আছে। অনিয়ম ও দুর্নীতি যারা করে জাতীয় সমস্যা সৃষ্টি করে রেখে গেছে সে গুলো সমাধান করে আপনাকে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো চিহ্নিত করে তা অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে এ সমস্যার সমাধান করা যায়। এতে একদিকে যেমন অপ্রয়োজনী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে তেমনি অপ্রয়োজনী ব্যয় হ্রাস পাবে এবং আপনার চিন্তা অপ্রয়োজনী প্রতিষ্ঠান না থাকলে সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় করণ করতে পারবেন এবং এর মধ্যে দিয়ে আপনি সকল অভিভাবকদের ও বা‌ংলার সকল বেসরকারি শিক্ষকদের মাথার মনি হয়ে চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন।
Nobel, ২০ নভেম্বর, ২০২০
Poor Excuse ! If So, You Are Also Responsible For It. Yet You Can Start Transfer System . We Don't Want Mpo System. Nationalise Our Job.
Tanvir Ahamed, ২০ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর,, প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলছি, প্রতি উপজেলা সদরে একাধিক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নূনতম একটি কলেজ সরকারি করন করার ফলে গ্রামের শিক্ষার্থীদের কে সারা জীবন বে সরকারি ও অপেক্ষা কৃত দুর্বল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের পড়াশোনা করতে হচ্ছে। তাহলে গ্রামের গরীব এবং সাধারণ মানুষ সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সাধ ও সুযোগ কখনোই পাবেনা, তাই আপনি যে গ্রাম শহরের ব্যবধান কমিয়ে অানার জন্য প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ এবং ব্রডব্যান্ডের ইনটার নেটের সঙ্গে মানুষ কে যুক্ত করতেছেন, সেটা আরো টেকসই করতে হলে, অন্তত প্রতি ইউনিয়নে একাধিক ক্যাটাগরী ভিক্তিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করন করা যেতে পারে। মুজিব বর্ষে এমন কিছু শিক্ষা মানসম্মত বিদ্যালয় কে সরকারি করন করে, মুজিব বষর্ের স্মৃতি উপহার হিসেবে স্বরনীয় করা দরকার, বা প্রতিষ্ঠান না করে শিক্ষক দের বদলির ব্যবস্হা করে ভালো প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে দূর্বল প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করে বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধন করে পদক্ষেপ নিতে পারে।
Koushik mondal, ২০ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি বলেছেন শিক্ষার্থীদের থেকে স্যার বেশি তাহলে আপনার সরকার কেন সেগুলো বন্ধ করছে না। আপনি যা বলেছেন তা হচ্ছে না দেওয়ায় অজুহাত।
md kabir alam, ২০ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঠিকই বলেছেন। কারন বেসরকারী স্কুলের শিক্ষকরা এখন শিক্ষা দেয় না। আর ভোট ও দেয় না