মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ জুয়েল হোসেন, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
এমপিও নীতিমালায় ১১.৩(ক) অনুচ্ছেদ এর সময়সীমা বাড়ানো দরকার।
Abu ahssan, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০
এমফিল ও পিএইচডি ধারী শিক্ষকদের জন্য আলাদা নীতিমালা হওয়া প্রয়োজন ।
ahsan ullah, ২৭ নভেম্বর, ২০২০
ঘন ঘন নীতি মালা বদলালে কি হবে এক সাথে জাতীয় করন করুন সব শিক্ষা ঠিক হবে।
sreechail madrasha, ২৫ নভেম্বর, ২০২০
অনুপাত প্রথা বাতিল করে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা যাচাই করে পদোন্নতি দিন। অনুপাত প্রথার মাধ্যমে যারা সহকারী অধ্যাপক হয়েছে তারা যোগ্যততার বলে হয়নি।উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রি স্তরের প্রভাষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা একই।
Md.Sowkat Hossain., ২৪ নভেম্বর, ২০২০
কলেজের বিভাগ গুলো আলাদা আলাদা এক বিভাগের শিক্ষকের পদোননতি অন্য বিভাগের শিক্ষকের অনুপাত দারা হতে পারেনা ।
মোঃ আতাউর রহমান মন্ডল, প্রভাষক, বালানগর কামিল মাদরাসা, বাগমারা, রাজশাহী।, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
চুড়ান্ত সংশোধনী এমপিও নীতিমালাতে এক সাথে মাদরাকে অর্ন্তভুক্ত করা হোক
Md.Sowkat Hossain., ২৪ নভেম্বর, ২০২০
প্রভাষক পদে ২৪ বৎসর আছি, অনুপাতের জন্য পদবী বদলায়নি,আর এখন ও অনুপাতে নতুন নীতিমালা ।
মোঃ সোলায়মান হোসাইন, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
এমপিও ভূক্ত শিক্ষকদের বদলি ব্যবস্থা নিশ্চিত হওয়া চাই।
Saiyedul Bashar, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ সংশোধন কমিটি কি খেয়েছে?.. জানিনা। আলিম মাদরাসার প্রভাষকরা সহকারী অধ্যাপক হতে পারবেনা, আবার আলিম মাদরাসায় উপাধ্যক্ষও হতে পারবেনা। প্রভাষকদের অপরাধটা কী?দাখিল মাদরাসার সহকারী মোলভীরা নিজ মাদরাসায় সহ সুপার হবার সুযোগ। আবার তারা আলিম মাদরাসায় উপাধ্যক্ষ হতে পারবে।তারাই আবার অধ্যক্ষ হতে পারবে। প্রভাষকদের এভাবে আটকে দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার কাজটা সহজে করার পায়তারা হচ্ছে।
Saiyedul Bashar, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ সংশোধন কমিটি কি খেয়েছে?.. জানিনা। আলিম মাদরাসার প্রভাষকরা সহকারী অধ্যাপক হতে পারবেনা, আবার আলিম মাদরাসায় উপাধ্যক্ষও হতে পারবেনা। প্রভাষকদের অপরাধটা কী?দাখিল মাদরাসার সহকারী মোলভীরা নিজ মাদরাসায় সহ সুপার হবার সুযোগ। আবার তারা আলিম মাদরাসায় উপাধ্যক্ষ হতে পারবে।তারাই আবার অধ্যক্ষ হতে পারবে। প্রভাষকদের এভাবে আটকে দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার কাজটা সহজে করার পায়তারা হচ্ছে।
sreechail madrasha, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
লিখিত পরীক্ষা ব্যতীত প্রমোশন দিলে কোনো নীতিমালা গ্রহণ যোগ্য হবে না।
MD.MIZANUR RAHMAN, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
আল্লাহ্‌ তুমি রহম কর ।
মোঃ জহিরুল ইসলাম, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
মাধ্যমিক স্তরে শাখার বিপরিতে এমপিও দেয়া হলে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শাখা নয় কেন? উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শাখা খুলে এমপিও দিলে অনেক নন এমপিও শিক্ষকগণ উপকৃত হবে।
মোঃ জহিরুল ইসলাম, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
মাধ্যমিক স্তরে শাখার বিপরিতে এমপিও দেয়া হলে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শাখা নয় কেন? উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শাখা খুলে এমপিও দিলে অনেক নন এমপিও শিক্ষকগণ উপকৃত হবে।
মোঃ জহিরুল ইসলাম, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
অনার্স কলেজে ডিগ্রি স্তর এমপিওর শর্ত শিথিল করা উচিত
sreechail madrasha, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগনের নিকট অনুরোধ করছি যে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে যেন কম্পিউটার দক্ষতা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস ও অনলাইন ক্লাস বিবেচনা করা হয় এবং জাতীয় পর্যায়ে যেন লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। এগুলো বিবেচনা না করার কারণে অনেক যোগ্য শিক্ষকের প্রমোশন হচ্ছে না।
মোঃ আব্দুল আজিজ বকশী, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
অনার্স ও মাষ্টার্স শিক্ষকের কথা বলা হয়েছে কিন্ত তয় শ্রেণি ও চর্তর্থ শ্রেণির কর্মকচারীর কথা বলা হয় না এদের কি কেউ চোখে দেখে না কারণ কি
MD.EDRISH ALI, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
আহ!পুড়া কপালে মলম লাগবে তো?এই এমপিও নামক মলম কবে লাগবে তা কে জানে?
KRISHNADHAN SUTRADHAR, Chhaysuti Union High School, Kuliarchar, Kishoregonj., ২৪ নভেম্বর, ২০২০
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী, আপনি বলেছেন শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণে যা প্রয়োজন সরকার তাই করবে। তাহলে তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারীদেরকে এত অবহেলা কেন? এর জবাব চাই।নেই কোনো পদোন্নতি, নেই কোনো উপযুক্ত বেতন স্কেল, উচ্চতর স্কেলেও নেই কোনো মূল্যায়ন অথচ তারাই করে প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বেশী কাজ। দশ বছর পর মাত্র 400 টাকা বৃদ্ধি আর 10ম গ্রেডের 6000 টাকা বৃদ্ধি। এই দেশে যারা ছোট বা দুর্বল তারাই বেশী বৈষম্যের শিকার। একটি কথা মনে রাখবেন তারাও কিন্তু মানুষ, একটু বিবেচনা করুন। মহান সৃষ্টিকর্তা কাছে প্রার্থনা জানাই আপনারেদ বিবেক বুদ্ধির উদয় হোক.................
sreechail madrasha, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কম্পিউটার দক্ষতা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাস ও অনলাইন ক্লাস বিবেচনা করা হয় না। অনেক শিক্ষক প্রমোশন পেয়ে মোটা অংকের বেতন পান। করোনার কারণে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উনারা অনলাইন ক্লাস নেয় নি বা চেষ্টা করে নি। কারণ প্রমোশন দেওয়ার জন্য এগুলো বিবেচনা করা হয় না। কাজেই প্রমোশন দেওয়ার জন্য এগুলো বিবেচনা করা হোক এবং জাতীয় পর্যায়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হোক।
Selim, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
শুধু শিক্ষকদের নিয়ে ভাবলেন আর অফিস সহকারীদের যে বেসম্য তা নিয়ে কেউ ভাবলেন না।যারা অফিস পরিচালনায় দিন রাত একাকার করে ফেলেছে তাদের নিয়ে একটু ভাবেন।