মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

অর্নব কুমার চৌধুরী, ১২ এপ্রিল, ২০২১
মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ কর্মরত ট্রেড ইনষ্ট্রাক্টর পদ শিক্ষক পদ অথ্চ ১০ বছরের আধিক বিএড ডিগ্রিধারী ট্রেড ইনষ্ট্রাক্টরদের সহকারি প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়নি যা অমানবিক।
Debashish Kumar Sarker, ০৯ এপ্রিল, ২০২১
সহকারী প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড এর বিষয়ে কোন কথা এমপিও নীতিমালায় না থাকাটা হতাশা জনক। যদি তাঁরা উচ্চতর গ্রেড না পায় তবে এটা অবিচার হবে। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন সত্বেও সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক দের স্কেল একই হবে।
Bappi Das, ০৯ এপ্রিল, ২০২১
কেউ কি মনে করে না যে, যারা কর্মচারী তাদেরও পদোন্নতির ব্যবস্থা রাখা দরকার। কারণ কর্মচারীরা একটি প্রতিষ্ঠানের নানাবিদ কাজে অনেক দায়িত্ব পালন করে। আমি একজন ল্যাব এসিস্টেন্ট। কম্পিউটারের প্রায় সকল কাজ আমি করে থাকি। যে কোন ল্যাব এসিস্টেন্ট কাজ করতে করতে একটি ভালো অভিজ্ঞতা লাভ করে এবং তার অভিজ্ঞতা দ্বারা সে কলেজ বা বিদ্যালয়ের অনেক কাজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। যাহা অনেক সময় নতুন শিক্ষকের দ্বারাও সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে সে যদি অন্ততপক্ষে ১০ কোড পর্যন্ত পদোন্নতির ব্যবস্থা রাখা যেত তাহলে তাদের কাজ করার স্পিহা অনেক বাড়ত। যদি কোন প্রকার ভুল হয়ে থাকে তাহলে পাঠকগণ তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কারণ এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত। অনেকের তা ভালো নাও লাগতে পারে। সকলকে ধন্যবাদ।
Mohammad Habibur Rahman, ০৯ এপ্রিল, ২০২১
বেসরকারী স্কুল-কলেজে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীরা গত দুই দশক কমিটির দ্ধারা নির্যাতিত। অথচ এই সত্য সবারই জানা। কিন্তু নীতিমালায় এখান থেকে উত্তোরণের কোন পলিসি দেখছি না। আবার অনেক সময়ই শিক্ষক কর্মচারীকে নানা অজুহাতে সাময়িক/ চুড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়। পরে দেখা যায় তারা নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে আসে। তাদের স্থগিত বেতন-ভাতা সম্পর্কেও স্পষ্ট করা হয়নি। এই আধুনিক যুগে এসেও পাঁচ কিংবা দশ বছর পর পর ডাক ঢোল পিটিয়ে আবেদন নিয়ে প্রতিষ্ঠান এমপিও ভূক্তির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। চলমান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা করলে ভাল হতো। শিক্ষা কমিশনের মাধ্যমে বিভাগীয় পরীক্ষা পদ্ধতিতে পদ পরিবর্তনের সুযোগ অবারিত করা উচিত। অন্য সকল উন্নয়নকে টেকসই করতে সুশিক্ষার বিকল্প নেই। আর সুশিক্ষা বাস্তবায়নে নীতি নির্ধারণ পর্যায়ের সুনজর ছাড়া অসম্ভব। নীতিমালা প্রনয়নের ক্ষেত্রে আরও প্রসারিত ও জনবান্ধব মনন কাম্য।
MN Absar, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
NTRCA ৩৫ + দের আবেদনের সুযোগ দিয়েছে। কিন্তুু নীতিমালায় বিষয়টি স্পষ্ট করেনি বরং আবারো এন্ট্রি লেভেলে ৩৫ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।
Tarun Kumar Dam, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
ধন্যবাদ।
Tarun Kumar Dam, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
সহকারী প্রধান শিক্ষকদের বেতন সহকারী শিক্ষকদের থেকে কম এ কেমন নীতি ‌?
মলয় বল্লভ, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
good analysis
SHAH. MD. ZIAUR RAHMAN, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
আমি সহঃ গ্রন্থাগারিক পদে ১১ কোডে এমপিও ভুক্ত হই এবং ৩টা ইনক্রিমেন্ট পাই পরবর্তীতে ১০ কোডে বেতন পেলে ইনক্রিমেন্ট বাদ দেয়। এখন প্রশ্ন হলো উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির সময় কখন থেকে গণনা করা হবে। যেহেতু পরিপত্রে আমার প্রাম্ভিক স্কেল ১০ কোড। আর সহঃ প্রধান হাতে কি বিএড লাগবে।
Md. Abdur Rahman, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
এমপিও শিক্ষকদেরকে যথেষ্ট দিয়েছে সরকার।এনাফ ইজ এনাফ।সারা বাংলাদেশ দিলেও তাদের চাহিদা মিটবে না।এবার ডিগ্রী তৃতীয় শিক্ষক সহ সকল নন এমপিও শিক্ষকদের দিকে সরকারের নেক নজর দেওয়ার সময় এসেছে।কেউ পাবে কেউ পাবে না এটা কাম্য নয়।এটা যদি কাম্য হয়,সরকার শুধু ঘৃণা আর ধিক্কার পাবে।মনের নিরব প্রতিবাদ পৃথিবীর কোন শক্তি দিয়ে দমানো যায় না।তীব্র মানসিক যন্ত্রণা এবং ঘৃণা থেকে বড় কোন ক্ষতির জন্ম দিতে পারে।শিক্ষকরা যদি প্রচণ্ড মানসিক চাপ, ঘৃণা আর বঞ্চিত মনোভাব নিয়ে পাঠদান করে সে পাঠদান তো আনন্দ দায়ক হবেই না, বরং হিতে বিপরীত হতে পারে।এসব রাষ্ট্রের কর্ণধাররা খুব ভালই জানেন তবুও তারা আর্টিফিশিয়াল বা ম্যান মেইড ক্রাইসিস তৈরী করে একধরনের এক্সপেরিমেন্ট চালায়।যাকে ইদুর বিড়াল খেলা বলে।কয়েক দিন আগে সাতক্ষীরায় এক কলেজ শিক্ষক বছরের পর বছর বেতন না পেয়ে নিরুপায় হয়ে আত্নহত্যা করেছে।So what? It's matter little to them। তাঁর জীবন, সংসার ধ্বংস করে দিলো শতাব্দীর সেরা শিক্ষা নামের মরণ নীতিমালা।মিডিয়া হেফাজত নিয়ে পড়ে আছে।ঐ শিক্ষককে তার হক থেকে বঞ্চিত করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল এটা নিয়ে মিডিয়ায় কোন নিউজ ছিলনা, দৈনিক শিক্ষা ডটকম ব্যতীত।
Md.Rashed, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর ও সাবলীল উপস্থাপনের জন্য। স্যার আপনাদের কাছ থেকে আমরা আরো বেশি আশা করি। কিন্তু যখন দেখি আপনাদের মতো চিন্তাশীল মানুষদের কাছ থেকে আমাদের মত অসহায় (প্রদর্শক) মানুষ গুলো বঞ্চিত হচ্ছি তখন খুব কষ্ট লাগে স্যার। আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন সদ্য নীতিমালায় কিন্তু প্রদর্শক দের কোন পদ -পদবি পরিবর্তন না করে স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে। যা একেবারেই বেমানান। প্রদর্শকগণ শুধুমাত্র স্কেল পরিবর্তন চায়না তারা চান পদবী। আশা রাখি পরবর্তী লেখনীতে আমাদের নিয়ে একটু ভাববেন। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন এই কামনায় --- মোঃ আব্দুর রশিদ প্রদর্শক (রসায়ন) সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ, সিরাজগঞ্জ
Anisur Rahman Mridha, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
Really it's a good analysis. Thanks a lot, Sir.
কার্ত্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী।, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
বেসরকারি শিক্ষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ও উন্নতি করতে একমাত্র বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাই পারেন।কারণ,জননেত্রী শেখ হাসিনাই হচ্ছেন শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
suplob pal, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
খুব চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন স্যার ।অবসর ও কল্যাণ ভাতা বিষয়ে উল্লেখ থাকলে উপকৃত হতাম ।
কার্ত্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী।, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
বেসরকারি শিক্ষকরা হলো:"ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো"। যে দেশে ৫০ বছরেও শিক্ষকদের আজও ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুধু আলোচনা আর সমালোচনার মধ্য দিয়েই ৫০ বছর পার হয়েছে।আমার মনে হয়,বাকি ৫০ বছর এইভাবেই পার হবে।
অধ্যক্ষ মো. রহমত উল্লাহ্‌, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
খুব ভালো লিখেছেন। যুক্তিযুক্ত কথা উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মোঃ রেজাউল করিম, ০৭ এপ্রিল, ২০২১
সহকারি শিক্ষক সর্বশেষ উচ্চতর স্কেল পেলে সহকারি প্রধান শিক্ষকের সমান হবে, তাহলে সহকারি প্রধান পদ তৈরি করা একটি তামাশা ছাড়া কিছুই না। প্রধান শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি। উল্লেখিত অসঙ্গতি গুলোর সমাধান চাই।