মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ আরিফুল ইসলাম, ১০ জুন, ২০২১
এই রকম জাল নিবন্ধনধারী শিক্ষক আরো অনেক আছে। আর উনাদের জন্যই ভাল ভাল মেধাবী ছাত্ররা চাকরি পাচ্ছে না। তাদের অনেকেই আবার টাকা দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে।যেমন বাহাদুরপুর আঞ্জুমান উচ্চ বিদ্যালয়,ফুলপুর, ময়মনসিংহ। ইআইএন-১১২০৯৪ সহঃ শিক্ষক ইসলাম শিক্ষা নিবন্ধন সনদ জাল ও ভুয়া সত্বেও একই হাল।
Md. Faruk Hossain, ০৯ জুন, ২০২১
এই রকম জাল নিবন্ধনধারী শিক্ষক আরো অনেক আছে। আর উনাদের জন্যই ভাল ভাল মেধাবী ছাত্ররা চাকরি পাচ্ছে না। তাদের অনেকেই আবার টাকা দিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে।এনটিআরসির উচিত তাদের বাছায় করে বিচারের আওতায় আনা।
Tabiatkowser, ০৮ জুন, ২০২১
বেসরকারি স্কুল কলেজের গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ও গ্রন্থাগার প্রভাষক পদে নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব এনটিআরসিএকে দেয়া হয়েছে। এটি একটি‌ উ্দ্যোগ। তাই আগের নিয়ম নেওয়া উচিত হবে না।
Tabiatkowser, ০৮ জুন, ২০২১
এনটিআরসিএ এত তালবাহানা করে সরাসরি এই ভন্ড ও মিথ্যুক শিক্ষক জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে কেন কোনো একশন নিচ্ছেন না। তিনি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি অপরাধ করে ফেলেছে: প্রথমত তিনি তথ্য লুকায়িত করে সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছে, দ্বিতীয়তঃ সরকারের আইন-বিচার কে লংঘন করেছে, তৃতীয়তঃ এনটিআরসি এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। সুতরাং তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা দরকার। আর তাকে তাড়াতাড়ি চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া দরকার।