মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

kiran hldr, ১২ অক্টোবর, ২০২১
শিক্ষা ব্যবস্থা ধংস করার দায় শুধু সরকারের উপর নির্ভর করে না।এর পিছনে কোটি কোটি টাকা প্রকল্প প্রনেতারা দায়ী। ঘুষ বাণিজ্য অন্যদওকে।
MD.EDRISH ALI, ১২ অক্টোবর, ২০২১
স্বাধীন বাংলায় পরাধীন শিক্ষক সমাজ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ!সমাধান হতে পারে সদিচ্ছা হলে|
MD.EDRISH ALI, ১১ অক্টোবর, ২০২১
আর স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল প্রতিষ্ঠানকে একযোগে এমপিও ঘোষণা দিয়ে এমপিও দেওয়ার কথা বলে যে লক্ষ লক্ষ টাকার ঘুষ আদান প্রদান হয় তা বন্ধ করার একমাত্র উপায়|যাতে কায়দা কৌশল করে কোন প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক কর্মচারিকে শোষন করতে না পারে!তাই ঘুষ খাওয়ার বিষ দাঁত ভাঙ্গার আসল ঔষধ হল একযোগে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এমপিও ঘোষনা!!!!!
Hasinur rahman, ১১ অক্টোবর, ২০২১
বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত নীলফামারী জেলার অধীনে ডোমার খানার একটি ইউনিয়নে চান্দখানা জি,আর,(ঘুনুরাম)উচ্চ বিদ্যালয় । এই বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি ডোমার উপজেলার চেয়ারম্যান জনাব তোফায়েল আহমেদ প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বাদশা। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিটি স্কুলে একজন পরিচ্ছনতা কারি একজন অফিস সহায়ক নিয়োগ দেন সেখানে 24 লক্ষ টাকার নিয়োগ বাণিজ্য গত 10 অক্টোবর রোজ রবিবার সম্পন্ন করেছেন। অফিস সহায়ক 15 লাখ এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য 9 লাখ এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কি অদ্ভুত নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থ লুটপাট চলছে হায়রে কোন দেশে বাস করি এত ঘুষ ছড়াছড়ি। স্যার আশা করি আপনি বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কানে পৌছাবেনা ইনশাআল্লাহ