মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Raj Kumar Saha, ২৩ জুন, ২০২২
নতুন কারিকুলামের সাথে সঙ্গতি রেখে শিক্ষা আইন করা হোক।
Tabiatkowser, ২২ জুন, ২০২২
দেশের কোন জায়গায় নোট গাইড কেনার জন্য উৎসাহ দিলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, ব্যবস্থাপনা কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে যদি কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হো তাহলে দেশের সকল জায়গায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর প্রধানরা একেবারে সোজা হয়ে যেত।
Tabiatkowser, ২২ জুন, ২০২২
দেশে আইন করা হয় কিন্তু আইন প্রয়োগ করার জন্য কোন আইন এ যাবত হয়নি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান এর প্রধানরা শুধু উৎসাহ দেয়না বরং এরা মোটা অংকের ঘুষ খেয়ে এসব নোট গাইড এর বৈধতা দেয়। আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কোনো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নোট বই, গাইড বই ক্রয় বা পাঠে বাধ্য করেন শিক্ষার্থীদেরকে। এমনকি শিক্ষকরা নোট গাইড কেনার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে যৌক্তিকতা দেখায়।
Tabiatkowser, ২২ জুন, ২০২২
প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের নোট বই বা গাইড বই মুদ্রণ, বাঁধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত করা যাবে না। কেউ এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব তিন বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তাই যেখানে এসকাপের প্রকাশকের মালিকরা কোটি কোটি টাকা আয় করবে সেখানে ৫-১০ লক্ষ টাকা দিতে অসুবিধা কোথায়? তাই এসকল অসাধু ব্যাবসায়ীরা যাতে পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে না পারে সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
Tabiatkowser, ২২ জুন, ২০২২
প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের নোট বই বা গাইড বই মুদ্রণ, বাঁধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত করা যাবে না। কেউ এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব তিন বছর কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তাই যেখানে এসকাপের প্রকাশকের মালিকরা কোটি কোটি টাকা আয় করবে সেখানে ৫-১০ লক্ষ টাকা দিতে অসুবিধা কোথায়? তাই এসকল অসাধু ব্যাবসায়ীরা যাতে পুনরায় মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে না পারে সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
Tabiatkowser, ২২ জুন, ২০২২
এমনিতেই নোট-গাইড আর সহায়ক বইয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এ আইন পাস হলে নিষিদ্ধ নোট-গাইডগুলো সহায়ক বই নামে চলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কোচিং আর সহায়ক বই বৈধতা পেলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এটি হবে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কেননা বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা কতই যে বে পরোয়া হয়ে গিয়েছে তা বর্তমান অবস্থা থেকে সহজেই অনুমেয়। কেননা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের একমাত্র মূল নায়ক হলো কোচিং বাণিজ্য। এই কোচিং সেন্টারের কারণে শিক্ষা বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে। আর নৈতিক চরিত্র তো রসাতলে গিয়েছে অনেক আগেই। তাই নোট গাইড আর কোচিং সেন্টার স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য সরকার ও উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর আহ্বান জানাচ্ছি।
Tabiatkowser, ২২ জুন, ২০২২
প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে নোট-গাইড নিষিদ্ধের কথা বলা হলেও বৈধতা দেওয়া হচ্ছে সহায়ক বই। এর মানে বর্তমানে যে সব নোট - গাইড বইর বৈধতা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই নয়।