please click here to view dainikshiksha website

উপ-সচিবের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ আনলেন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১৬, ২০১৭ - ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপ-সচিবের বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষা ক্যাডারের একজন কর্মকর্তার কাছে এই ঘুষ দাবি করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। এই উপ-সচিব মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কলেজ শাখায় কর্মরত। নিজ জেলা সিলেট হবিগঞ্জ।

উপ-সচিব বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ করেছেন বি সি এস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক। দুর্নীতি দমন কমিশনে  অভিযোগ জমা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয় সরকারি কলেজের এই শিক্ষকের চাকরি থেকে ইস্তফা দেয়া সংক্রান্ত একটি ভুয়া আবেদনের জটিলতা নিষ্পত্তি করতে উপ-সচিব পাঁচ লাখ টাকা দাবী করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের স্যার খুব বিশ্বাস করেন একজন উপ-সচিব ও একজন অতিরিক্ত সচিবকে। আর বিশ্বাসের ঘরে দিনেদুপুরে ডাকাতি করে চলছেন এই দুইজন।”

একজন অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে  অভিযোগ তিনি শিক্ষা ক্যাডারের জন্য লোভনীয় পদগুলোতে বেছে বেছে নিজের লোক পদায়ন দেন। নিজের লোক হতে হলে বান্ডিল ছাড়াও কিছু যোগ্যতা থাকতে হয়। বাছাইয়ের যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যালামনাই সদস্য হওয়া, নিজ জেলা বাগেরহাট বা খুলনায় হওয়া। জন্মসূত্রে আওয়ামী লীগবিরোধী মনোভাবাপন্ন হওয়া এবং মিথ্যাবাদীতায় সব্যসাচী হওয়া।

জানা যায়, ইতিমধ্যে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ, শিক্ষা অধিদপ্তরের  আইন, সরকারি কলেজ, এমপিও শাখা; ঢাকা বোর্ডের লোভনীয় পদ, সেসিপ ও সেকায়েপের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে এই অতিরিক্ত সচিব তার পছন্দের লোক বসিয়েছেন।

এই অতিরিক্ত সচিবের প্রধান অপছন্দ মুজিবাদী ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটিতে থাকার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা। দ্বিতীয় অপছন্দ গোপালগঞ্জ বাড়ী হওয়া।তৃতীয় অপছন্দ আওয়ামী লীগের কোনো বড় নেতাকে দিয়ে সুপারিশ করানো।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৯টি

  1. ওবাইদুল হক says:

    ঘুষ না দেওয়ায় অদৃশ্য কারণে এনটিআরসিএ কর্তক সুপারিশকৃত কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে সর্বোচ্চ নম্ব্রধারী ও ইংরেজী বিষয়ে ১ম স্থান অর্জনকারী হওয়া সত্ত্বেও আমাকে এম,পি,ও হতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাকে বাদ দিয়েছেন।

    • শাহিন says:

      ওবাইদুল হক ভাই আপনি যথা স্থানে আপনার অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
      অনুলিপি দুদক সহ বিভিন্ন স্থানে দিয়ে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
      আপনার মতো অনেকেই এই ধরনের হয়রানিতে পরেন শুধু মাত্র অসৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষা কর্ম কর্তাদের জন্য।

  2. Masum says:

    Should be sacked or transferred or OSD then punishment

  3. শাহিন says:

    ওবাইদুল হক ভাই আপনি যথা স্থানে আপনার অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
    অনুলিপি দুদক সহ বিভিন্ন স্থানে দিয়ে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
    আপনার মতো অনেকেই এই ধরনের হয়রানিতে পরেন শুধু মাত্র অসৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষা কর্ম কর্তাদের জন্য।

  4. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক, পরিসংখ্যান, বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর। says:

    শিক্ষকরা ঘুষ দিবে। তা সে এমপিওভুক্ত হোক আর বিসিএস ক্যাডার ভূক্ত হোক। খাবে কে? হেড মাষ্টার, অধ্যক্ষ, উপজেলা জেলাএবং আঞ্চলিক শিক্ষা কর্মকর্তা, এবং তার উপরের যত সব শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ। অভিযোগ করে লাভ কি? যারাই অভিযোগ করেছেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারাই সম্মিলিত আক্রমনের শিকার হয়েছেন।

  5. পরমানন্দ ঢালী says:

    যত প্রকার ভাল কাজ আছে,ঘুষ খাওয়া তন্মধ্যে প্রথম। কারণ ঘুষ খায় এ দেশের মেধাবী সরকারি করমকরতারা । এতে কোনো দোষ নেই। দেশের নিকৃষ্ঠ লোক হচ্ছে শিক্ষক ও নিকৃষ্ঠ কাজ হচ্ছে প্রাইভেট-কোচিং করা। তাই দুদক শিক্ষকদের দাবড়াচ্ছে,হন্নে হয়ে খুজঁচ্ছে।

  6. ভূপাল প্রামানিক, প্রধান শিক্ষক, নামুজা উচ্চ বি: বগুড়া সদর & সেক্রেটারি বাপ্রশিস বগুড়াসদর 01711 515468 says:

    অবগত হলাম

  7. ভূপাল প্রামানিক, প্রধান শিক্ষক, নামুজা উচ্চ বি: বগুড়া সদর & সেক্রেটারি বাপ্রশিস বগুড়াসদর 01711 515468 says:

    Very bad news,,,,,,,

  8. Bichakshan Mandal says:

    এ সত্যে ও সরকার কেন এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার ও মন্ত্রি মহোদয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

আপনার মন্তব্য দিন