please click here to view dainikshiksha website

এমপিওভুক্তিতে দুর্নীতি: বরিশালে রাজত্ব করছেন এক কর্মকর্তা, দুই ক্লার্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ৭, ২০১৭ - ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

বরগুনার আমতলী উপজেলার পশ্চিম চিলা আমিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার জুনিয়র মৌলভি পদে ২০১৬ সালের অক্টোবরে যোগ দেন সিরাজুম মুনির। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সুপারিশ অনুযায়ী শূন্য পদে যোগ দিলেও এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি তিনি। পরপর দুই দফায় এমপিওভুক্তির আবেদন করলেও এখনও তাকে তা করা হচ্ছে না অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল না হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আবেদনকারী শিক্ষক অভিযোগ করেন, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের বিদ্যালয় পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলমের ঘুষ-বাণিজ্যে অতিষ্ঠ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকরা। এমপিওভুক্ত হতে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে শুরু করে মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয় পর্যন্ত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া মোজাফ্ফর হোসেন কলেজে এনটিআরসিএর সুপারিশে সমাজকল্যাণ বিষয়ে প্রভাষক পদে যোগ দেন হুমায়রা সিদ্দিকা। ছয়-সাত মাস আগে তিনি অনলাইনে আবেদন করলেও উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিস পেরোনোর পর তা আটকে আছে মাউশির বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে। অভিযোগ, উৎকোচ না দেওয়ায় এ রকম ঘটেছে। দু’জন শিক্ষক ২০১৬ সালে এনটিআরসিএর সুপারিশে যোগ দেন বরিশাল নগরের মানিক মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। কিন্তু জনবল কাঠামোর প্রাপ্যতা এবং অনুমোদন না থাকার অভিযোগ তুলে তাদের এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে না।

তাদের একজন জানান, ২০১৬ সালের নভেম্বরে ওই বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক পদে যোগ দেন তিনি। বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় এমপিওভুক্তির কাগজ উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়ার পর জেলা শিক্ষা অফিস থেকে তা বরিশাল মাউশি কার্যালয়ে পেঁৗছেছে। কিন্তু বেশ কিছু টাকা দেওয়ার পরও তিনি এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। বরগুনার বামনা উপজেলার বাসিন্দা ওই শিক্ষক অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, ‘মাসের পর মাস বেতন না পাওয়ায় বাসা ছেড়ে দিতে হয়েছে। পরিবার-পরিজনের কাছে এখন মুখ দেখাতে পারছি না।’ একই বিদ্যালয়ে বাংলা শিক্ষকের শূন্য পদে এনটিআরসিএর সুপারিশে যোগ দেন জাকিয়া বেগম। জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্যতা নেই অজুহাতে তাকেও এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে বরিশাল জেলা শিক্ষক সমিতির (মাধ্যমিক) সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম বলেন, এনটিআরসিএর সুপারিশ পেয়ে শিক্ষকরা কাজে যোগ দিলেও তাদের এমপিওভুক্তি নিয়ে ঘুষ-বাণিজ্য ও ভোগান্তির বিষয়টি এখন প্রতিষ্ঠিত। জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্ট বরিশাল বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মহসিনুল ইসলাম হাবুল অভিযোগ করেন, এমপিওভুক্তির জন্য মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয়সহ তিনটি স্তর পেরোতে শিক্ষকদের ৩৫-৪০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সম্প্রতি বরিশাল ইসলামিয়া কলেজে ১০ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা প্রত্যেকেই টাকার বিনিময়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন।

কর্মকর্তাদের বক্তব্য :এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা হয় মাউশির বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের বিদ্যালয় পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত করতে তাদের কিছু বাধ্যবাধ্যকতা আছে। কিন্তু যারা বিধিবিধান মানতে চান না, তারা নানা অভিযোগ তোলেন। জাহাঙ্গীর আলম পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, যারা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেন, তারা এসে কেন জানতে চান না কী কারণে এমপিওভুক্তি হয়নি?

মাউশির বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এমপিও নিয়ে অর্থ-বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যেসব আবেদন অনুমোদন হয় না, সেগুলো কী কারণে হয়নি তার ব্যাখ্যাসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। তিনি বলেন, গত জুন-জুলাই মাসে বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে ৪৮০ জনের এমপিওভুক্তির আবেদন এসেছিল। এগুলোর মধ্যে ৩৪৩ জনকে অনুমোদন দিয়ে মহাপরিচালকের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। উপযুক্ত কারণ ছাড়া আবেদন আটকে রাখার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ রয়েছে, এমপিওভুক্তির জন্য কোনো কোনো বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকও মোটা টাকা নেন। অথচ কী কারণে এমপিওভুক্তি হলো না, তা যথাযথভাবে আবেদনকারীকে জানানো হয় না এবং মাউশি কার্যালয়ে যোগাযোগ করতেও নিষেধ করা হয়। এতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবে কিছু আবেদন নিষ্পত্তি করা যায় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩৯টি

  1. হারুন আর রশীদ says:

    উপজেলা পর্যায়ে প্রতিতি শিক্ষা অফিসে দুর্নীতির মহরা চলছে যা উপজেলা শিক্ষা অফিসের সব স্টাফসহ বদলি না করলে রোধ করা যাবেনা।

  2. Helal Uddin Parvez says:

    এমপিও ভুক্তিসহ সকল কাজ মাউশিতে ফিরিয়ে নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি ।

  3. মো: আব্দুল মালেক, পাংশা, রাজবাড়ী। says:

    এমপিওভুক্তিতে দুর্নীতি পরিহার করে সঠিক ভাবে কাজ করার জন্য অনুরোধ করছি।

  4. মোঃ মানিক উদ্দিন says:

    মাউশিকে করজোর অনুরোধ করছি এ দুর্নীতি বন্ধে কিছু একটা করুন।

  5. এম.সোলয়মান এম.এ says:

    ৩মাস পর পর বদলি করলে সব ঠিকঠাক হতো

  6. MD. JASHIM UDDIN says:

    এই কুত্তাদের দুইমাস পর পর প্রতি জেলায় জেলায় বদলি করেন। দেখবেন ঠিক হয়ে যাবে।

  7. Regun chandra malaker says:

    জীবনের কিছু বাস্তব চিত্র::::::::::::::
    শুরু থেকে কিছু শুরু………..

    এস.এস.সি…………..৪.১৯
    এইচ.এস.সি…………..৪.৫০
    হিসাববিজ্ঞান অনার্স….২য় শ্রেনী
    হিসাববিজ্ঞান মাষ্টার্স…..১ম শ্রেনী
    শিক্ষক হব বলে….
    স্কুল নিবন্ধন হিসাববিজ্ঞান….৭০
    কলেজ নিবন্ধন হিসাববিজ্ঞান…৬৫
    স্কুল নিবন্ধন হিন্দু ধর্ম…………..৫৬
    স্কুল নিবন্ধন কম্পিউটার..৬৫(১২তম ১ম)
    শিক্ষক হব বলে বোকার মত বি.এড করেছি।
    বি.এড……………..১ম শ্রেনী
    ntrca ৪০টা আবেদন করে নিজ উপজেলায় শূন্য পদ না পেয়ে অন্য উপজেলাতে টিকলাম হিন্দু ধর্ম বিষয়।বেতন পাবার আশায় ফাইল উপজেলা,জেলা থেকে বরিশাল ডিডি অফিসে। ডিডি অফিস ফাইল রিজেক্ট করে বলল বিল হবে না কারন স্কুলে আরও একজন মহিলা শিক্ষক দরকার তাহলে আমার বিল হবে।এখানে আমার দোষ কোথায়…………..?

  8. মোঃ শওকাতুল আলম says:

    মঠবাড়িয়া উপজেলার শিক্ষকদের ভোগান্তির শেষ নাই।বরিশাল অফিসে ৩০০০০/-টাকা নেয়।

  9. লাইজু says:

    হেলেনার মতো কুৎসিত নোংরা ঘুষখোর ক্লার্ক অতি শ্রীঘ্রই বান্দরবনে পৌছানোর ব্যবস্থা করুন।

  10. আকলিমা says:

    হেলেনা মহিলা না যেন হিজরা, এর কোন রচিত্র নেই। পায়খানার উপরে টাকা পেলেও চাটা দেয়। এর মতো মতো কুৎসিত নোংরা ঘুষখোর ক্লার্ক অতি শ্রীঘ্রই বরিশাল ছাড়া করুন। শিক্ষকদের বঁাচতে দিন। হেলেনার দূর্ব্যবহারে যারা মানুষ গড়ার কারিগর তাদের মাথা নিচু হয়ে যায়।

  11. সুভাষ সরকার, বরিশাল। says:

    বরিশালের সব তথ্য সঠিক।

  12. Suman Hossain says:

    বরিশালের এনামুল লোকের কাজ থেকে ৪০,০০০থেকে ৫০,০০০ টাকা নেয় আমরা সকল লোক অতিষ্ট

  13. এমদাদুল হক এখলাছ says:

    ঘুষ ছাড়া আজকাল কিছু হয় নাকি??

  14. M A YOUSUF LECTURER TOGRA KAMIL MADRASAH , PIROJPUR 01710-541839 says:

    বরিশালের হেলেনার দুর্নীতি বন্ধে কিছু একটা করুন। please

  15. মোস্তাফিজুর রহমান।সহ:শিক্ষক(গনিত)দূর্গাপুর হাজী মোবারক আলী দাখিল মাদরাসা।বরিশাল।01711857492 says:

    বাটার দোকানের মত দর হয় মাউশিতে।এক দর।হয় দিবেন না হয় ভুগবেন

  16. md.sezan says:

    আরে ভাই আপনেরা computer teateachers দের MPO র কথা বলছেনা কেন? তারা ৬ বছর যাবত বেতন পাচ্ছেনা। অদের কি বিবেগ বলতে কিছুই নেই??????????????????……..????????????????????

  17. কামরুল হাসান says:

    জুতা দিয়া পিটা রে ……………
    খানকির পোলাগোরে ।

  18. অধ্যক্ষ মোঃ সিদ্দিক উল্লাহ। says:

    স্কুল পরির্দশক জনাব জাহাঙ্গীর আলম সাহেব অত্যন্ত সৎ মানুষ।তার বিরুদ্বে অভিযোগ মিথ্যা।

  19. মোঃ বাবুল হোসেন says:

    এমপিওভুক্ত না হওয়ার উপযুক্ত কারণ জানার পরও টাকা দেয়া বোকামি।

  20. অধ্যক্ষ মোঃজসিম উদ্দিন। says:

    না জেনে কারো বিরুদ্বে কথাবলা মহাপাপ।নিঃসন্দেহে স্কুলপরির্দশক জনাব জাহাঙ্গীর আলম সাহেব খুবই সৎ মানুষ।

  21. অধ্যক্ষ মোঃমোবারক আলী ফারুকী says:

    অন্যায় ভাবে এমপিওভুক্তি না হওযায় জনাব জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্বে এ অভিযোগ।এটা আমার নিকট স্পষ্ট।

  22. zahid says:

    Ato durniti ..Allah mukti dau asob thaka .

  23. Mahmudul Hasan says:

    বিদ্যালয় পরিদশর্ক জাহাঙ্গীর সাহেব অত্যান্ত সৎ মানুষ, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য হতে পারে না।

  24. ruvel hasan says:

    বিদ্যালয় পরিদর্শক জাহাঙ্গীর সাহেব এর কাছ থেকে বহু সেবা নিয়াছি, কোন সময় এর বিনিময়ে কিছু দিতে হয়নি।

  25. Molla Omar Faruk says:

    জনাব মো: জাহাঙ্গীর আলম স্যার অত্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা আমার এযাবৎ কালের দেখা. আমি আজ পর্যন্ত কোনো কাজে গিয়ে কোনো রকম অসদাচরন পাইনি এবং কোনো টাকা পয়সা জনিত কোনো রকম কর্মকান্ডের কোনো খোঁজ পাইনি. স্যার এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ রূপে মিথ্যা ও চক্রান্ত মূলক.

  26. আপনারা প্রদীপ দাদার কাছে যান। কোনো টাকা লাগবেনা says:

    আপনারা প্রদীপ দাদার কাছে যান। কোনো টাকা লাগবেনা.

  27. ওবাইদুল হক says:

    আমি ওবাইদুল হক, পিতা: মো:আলী, মাতা: লেবাছ খাতুন, গ্রাম: সওদাগর ঘোনা, ডাক: চিরিংগা সি,সি-৪৭৪০, উপজেলা: চকরিয়া, জেলা: কক্সবাজার, মোবাইলঃ ০১৮১৩-৩৮৬০২৮, NTRCA কর্তৃক নির্বাচিত ও সুপারিশকৃত হয়ে সর্বোচ্চ নম্বরধারী হিসেবে ও ইংরেজী বিষয়ের ২ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ম স্থান অর্জনকারী হিসেবে কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে বিগত ১৫/১১/২০১৫ ইং যোগদান করি। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির, কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, খুটাখালী, চকরিয়া, কক্সবাজার, মোবাইলঃ ০১৭১৮-২৭৭৬৪১/­০১৮৩৮-২৫১৩৩৪, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে এবং আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে আমাকে আমার ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করে বিগত ১৫/০৫/২০১৭ ইং আমার এম,পি,ও’র আবেদন অগ্রায়ন না করে ২য় স্থান অর্জনকারীর আবেদন অগ্রায়ন করেন এবং উনাকে মে মাসের এম,পি,ও তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তাছাড়া, অন্য ১ জন শিক্ষককে কারিগরি শাখায় নিয়োগ দিয়ে সাধারণ শাখায় এম,পি,ও ভূক্ত করা হয় এবং এক্ষেত্রে তিনি সাবেক শিক্ষক নুরুল আফছারের স্থলাভিষিক্ত হলেও এম,পি,ও’র কপি থেকে সাবেক শিক্ষকের নাম কর্তন করা না করে বিগত ১৫/০৫/২০১৭ ইং উনার এম,পি,ও’র আবেদন অগ্রায়ন করেন এবং মে মাসের এম,পি,ও তে উনাকে অন্তভূক্ত করা হয়।এ বিষয়ে আমি কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

  28. Mahmudul Hasan says:

    বরিশাল শিক্ষা অফিসে তিন জন জাহাঙ্গীর আছেন, একজন বিদ্যালয় পরিদর্শক,একজন হিসাব রক্ষক,একজন পিয়ন,তবে আমি বিদ্যায়ল পরিদর্শক জাহাঙ্গীর সাহেব কে সৎ হিসাবে জানি। জাহাঙ্গীর সাহেব একজন সৎ মানুষ।

  29. মো: আবদুল্লাহ says:

    ‌মো: জাহাঙ্গ‌ীর স্যার এক‌টি বি‌শেষ আদ‌র্শের ধারক বাহক। অত্যন্ত সৎ ও বিনয়ী, সরল জীবন যাপনকারী। অবৈধ স্বার্থ হা‌সি‌লে বিফল ম‌নোরথী কুট‌কৌশলীরাই তার চ‌রিত্র হন‌নের চেষ্টা কর‌ছে।

  30. saiful isalm says:

    বিদ্যালয় পরিদর্শক জাহাঙ্গীর সাহেব একজন সৎ মানুষ, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট,সরযন্ত্র মূলক।তিনি একজর সৎ মানুষ।

  31. sumonkhan says:

    বিদ্যালয় পরিদর্শক জাহাঙ্গীর সাহেব আমার অনেক কাজ করে দিয়েছেন। তার বিনিময়ে কোন সময় টাকা পয়সা তো দূরে থাক, এককাপ চা ও তিনি খাননি। তার মতো মানুষের বিরুদ্ধে এ রকম মিথ্যা বললে গুনা হবে। নিশ্চিই আল্লাহ মিথ্যা বাদীকে পছন্ধ করেন না।

  32. Imrankhan says:

    বরিশাল শিক্ষা অফিসে তিন জন জাহাঙ্গীর আছে একজন বিদ্যালয় পরিদর্শক,একজন হিসাব রক্ষক,একজন অফিস সহকারী। আমি বিদ্যালয় পরিদর্শক জাহাঙ্গীর সাহেবকে সৎ হিসাবে জানি। তার কাছ থেকে অনেক সেবা নিয়েছি বিনিময়ে কোন টাকা দিতে হয় নি।

  33. Irakib says:

    জাহাঙ্গীর স্যার একজন সৎ মানুষ। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। আমি তাকে সৎ মানুষ হিসাবে চিনি।

  34. মুহাঃ সাইফুল্লহ বিন জাকারিয়া,পিরোজপুর মঠবাড়ীয়া.মুঠোফোনঃ01719-482639 says:

    আইসিটি, কম্পিউটার শিক্ষকদের এমপিও দিন. আমাদের ধৈর্যের বাধ ভেঙে যাচ্ছে

  35. Maruf Billah says:

    মো: জাহাঙ্গীর স্যার অত্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা আমার এযাবৎ কালের দেখা. আমি আজ পর্যন্ত কোনো কাজে গিয়ে কোনো রকম অসদাচরন পাইনি এবং কোনো টাকা পয়সা জনিত কোনো রকম কর্মকান্ডের কোনো খোঁজ পাইনি. স্যার এর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ রূপে মিথ্যা ও চক্রান্ত মূলক. বরিশাল শিক্ষা অফিসে তিন জন জাহাঙ্গীর আছে একজন বিদ্যালয় পরিদর্শক,একজন হিসাব রক্ষক,একজন অফিস সহকারী.তিনি অত্যন্ত সৎ ও বিনয়ী, সরল জীবন যাপনকারী

আপনার মন্তব্য দিন