please click here to view dainikshiksha website

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দুঃখের অমানিশা কি পোহাবে না?

মো. আবু হানিফ ভূইয়া | সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭ - ৪:৩৮ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে প্রায় ৯৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হচ্ছে এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা। এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৩২০ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত প্রাণী। একই যোগ্যতাসম্পন্ন, একই সিলেবাসের পাঠ্যবইয়ে পাঠদান করা এবং প্রতি বছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা যথেষ্ট এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক বেতন বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। যেমন-

১. একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক সরকার থেকে স্কেল অনুসারে ১০০% বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা যথাক্রমে ১ হাজার টাকা, ৫শ’ টাকা এবং মূল বেতন স্কেলের ২৫% পেয়ে থাকেন; কিন্তু তার মূল বেতন স্কেলের ৫% হারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা ভাতা, বৈশাখী ভাতা এবং প্রভিডেন্ট ফান্ড কিছুই নেই। পক্ষান্তরে একজন সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তা বা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক মূল বেতন স্কেলের সঙ্গে ৫% হারে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি আকারে বেতন, শিক্ষা ভাতা, চিকিৎসা ভাতা ১ হাজার টাকা, বৈশাখী ভাতা, বাড়ি ভাড়া এবং উৎসব ভাতা যথাক্রমে বেতনের ২০%, ৪০% বা ৬০% এবং ১০০% পেয়ে থাকেন। সেই সঙ্গে তার প্রভিডেন্ট ফান্ডও চালু রয়েছে। অর্থাৎ একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে একজন সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তা বা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের দুটি ক্ষেত্রে মিল (স্কেল ও চিকিৎসা ভাতা) থাকলেও বাকি সব ক্ষেত্রে আকাশ-পাতাল ব্যবধান।

২. পদোন্নতির ক্ষেত্রে যেখানে সরকারি কলেজের শিক্ষকরা ‘প্রভাষক’ থেকে পদোন্নতি পেয়ে শিক্ষা ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ ‘অধ্যাপক’ পর্যন্ত আসীন হয়, সেখানে বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা ‘প্রভাষক’ থেকে শিক্ষা ক্যাডারের দ্বিতীয় ধাপ ‘সহকারী অধ্যাপক’ পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়ে থাকেন, যা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষক সংখ্যার ৭:২ বা ৫:২ অনুপাতে। অর্থাৎ বেসরকারি কলেজের শিক্ষকদের ২৯ থেকে ৪০ ভাগ এ সুযোগটি পেয়ে থাকেন। বাকি ৬০ থেকে ৭১ ভাগ শিক্ষক ‘প্রভাষক’ পদে যোগদান করে সে পদে বহাল থেকেই অবসর গ্রহণ করেন। এমন ঘটনাও রয়েছে- এক কলেজে বাবা ‘প্রভাষক’ পদে চাকরিরত আর অপর এক কলেজে ছেলে বা ছেলের বয়সী সহকর্মী ‘সহকারী অধ্যাপক’ পদে উন্নীত হয়েছেন। এটা শিক্ষকদের জন্য অপমান ও লজ্জার বিষয় নয় কি? এ অবস্থায় একজন শিক্ষককে রবীন্দ্রনাথের গান ‘জেনে শুনে বিষ করেছি পান’ শোনা বা আওড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় আছে?

৩. দেশের গুটিকয়েক নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড, দক্ষতা-উন্নয়ন ভাতা, বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ভাতাদি দিয়ে থাকলেও প্রায় ৯৯% এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ছাত্রদের কাছ থেকে টিউশন ও উন্নয়নসহ অন্যান্য ফি নিয়ে থাকে, কিন্তু শিক্ষকদের আর্থিকভাবে সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে। অথচ টিউশন ফি পুরোটাই শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও উন্নয়ন ফি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন খাতে ব্যয় করার কথা। বাস্তব কথা- প্রতিষ্ঠান কত টাকা আয় করে এবং কত টাকা ব্যয় করে, শিক্ষকদের তা জানার কোনো অবকাশ নেই। কয়টা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব তহবিল থেকে কলেজ অবকাঠামো উন্নয়নে খরচ করে, তা আমাদের সবারই জানা। উপরন্তু ফলাফল খারাপ হলে হুমকি-ধমকিসহ নানা আইন-কানুন করে শিক্ষকদের মানসিকভাবে চাপের মধ্যে রাখা হয়। মনে হয়, সমাজ বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের শিক্ষক হিসেবে তো নয়-ই, মানুষও মনে করে না।

৪. মাসিক বেতন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে শিক্ষকদের হস্তগত হবে, এমন সরকারি নির্দেশনা থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে শিক্ষকরা প্রায়ই যথেষ্ট দেরিতে মাসিক বেতন তুলে থাকেন। যেমন, গত জুন মাসের বেতন আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে তুলতে পেরেছেন। এর ফলে তাদের আর্থিক ও মানসিক কষ্টের সীমা থাকে না। উপরন্তু যেখানে প্রাপ্ত মাসিক বেতন দিয়ে একজন শিক্ষক তার সংসার চালাতে হিমশিম খায়, সেখানে অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল বাবদ মূল বেতন স্কেলের ৬% এর পরিবর্তে ১০% কেটে রাখা (আপাতত স্থগিত) ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ ছাড়া কিছুই নয়।

৫. এখানেই শেষ নয়, অবসর গ্রহণের পর ভোগান্তির মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। ৪-৫ বছর পরও শিক্ষকরা তাদের শেষ অবলম্বন (অবসর ভাতা এবং কল্যাণ তহবিল)-এর যৎসামান্য টাকা হাতে পান না। এ দিনগুলো কীভাবে একজন শিক্ষক দিনাতিপাত করেন, আমরা কি তা ভেবে দেখেছি? অনেকে এ প্রাপ্য অর্থ না পেয়েই দুঃখজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন; আবার কেউ কেউ অসুখে-বিসুখে মৃত্যুশয্যায় শায়িত আছেন।

যে দেশের শিক্ষকরা এত অবহেলিত, সে দেশের শিক্ষা তথা জাতি উন্নত হতে পারে না। সরকার যেহেতু শিক্ষকদের ১০০% বেতন দিয়ে থাকে এবং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ৮০% অবদান রাখে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানকে সরকারি কোষাগারে কানাকড়িও জমা দিতে হয় না, তাহলে প্রতিষ্ঠানের এত আয় যাচ্ছে কোথায়? কথিত আছে, উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে অবিশ্বাস্য ভাউচার জমা দিয়ে তহবিল লুটতরাজ চলে। যেমন, ১০ হাজার টাকা খরচের বিপরীতে ২০ হাজার টাকার ভাউচার জমা হয়। সুতরাং সরকারই পরোক্ষভাবে এ লুটতরাজের সুযোগ করে দিয়ে বেসরকারি স্কুল, কলেজের ব্যয় নিয়ে নানা অপ্রীতিকর বিবৃতি দেয়।

সরকার যদি বেসরকারি স্কুল, কলেজের সব আয় নিয়ে শিক্ষকদের চাকরি তথা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করে, তাহলে প্রতিষ্ঠান যেমন অসাধুচক্রের জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পাবে, তেমনি সরকারের শিক্ষা খাতে ব্যয়ভার কমবে এবং লাভ হবে। পাশাপাশি শিক্ষকরাও আর্থিক ও মানসিকভাবে প্রশান্তি লাভ করবেন এবং মর্যাদাবান হবেন।

প্রভাষক, অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ
রামচন্দ্রপুর, মুরাদনগর, কুমিল্লা

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩৮টি

  1. মোঃ আব্দুর রহমান বিশ্বাস, সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চৌগাছা, যশোর । says:

    জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা শেখ হাসিনাকে কিছু অসাধু মন্ত্রী ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাকে জাতীয়করণ থেকে দূরে রেখেছে । আর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্টান জাতীয়করণ হলে সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ ।

  2. শফিউর রহমান, সহকারী শিক্ষক, হরিণ সিংহা অাদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, গাইবান্ধা সদর। says:

    মাননীয় প্রধান মুন্ত্রী অামাদের প্রতি সহায় হউন!!

  3. চন্দন কুমার প্রাং সহঃ শিক্ষক ধামিন নওগঁা উচ্চ বিদ্যলয়। says:

    আপনার উকতিটি পড়ে ভালো লাগলো । আসলে সেটাকি হবার।

  4. সাহাবদ্দিন এম,এস-সি শ্রীবরদী এ পি পি আই। says:

    Very good

  5. Ashiqur Rahman, trishal, mymensingh. says:

    কিছু প্রশ্ন বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে।।
    কখন হবে কার্যকর নতুন শিক্ষা নীতি?
    শুধু খসরাই থাকুক, তাই না।
    ব্যবসায় শাখা কে কবে প্যাটার্ন ভুক্ত শুন্য পদ হিসেবে ঘোষনা করা হবে?
    ১৩/১১/১১ এর কালো পরিপত্র বাতিল কি হবে?
    দূর হবে কি শাখা শিক্ষক দের দুর দশা?
    শাখা শিক্ষকদের কি আদৌ এম,পি,ও দেওয়া হবে?
    এ সব উত্তর কি কতৃপক্ষ দিতে পারবে??
    মিলবে না এসব প্রশ্নের উত্তর,
    হায় রে বাংলা দেশের শিক্ষা ব্যবস্তা !!!

  6. munnaf hossain says:

    আমাদের দুঃখকষ্ট বুঝার কি কেউ নেই???

  7. Nazir Hossain says:

    স্যার আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো। সরকার তো আমাদের নিয়ে চিন্তাই করে না । যেদিন করবে সেইদিন অমানিশা চলে যাবে ।

  8. Kabir bin belyat says:

    Its a govt ridiculous policy. The govt paid 100% monthly payments to the non govt teacher and employees but no return to the treasury funds to the republic. Although govt expanding 500 to 700 crore taka in monthly salaries to non govt teachers and employees. Besides this,these non govt educational institutions all over Bangladesh (affiliated institutions)income a huge amount to the student on the tuitions fee,session fee,development fee,sports fee and university named fee etc.the govt can earn to these institutions on the contrarary by treasury funds to the republic. If this criteria have taken,the non govt teacher are get ride of so called social welfare personalities oppression. On the other hand govt will support a financial assistance. It also improve the standard of education in Bangladesh. Every education institutions with in a same policy and standard. Gov’t should do something to the greater interest of total educational sector. Only prime minister’s can take an initiative instantly.at present Bangladesh is not a poor country.she is identified all over the world in a potential country. The problem of non govt teacher and employees solved without delay.honourable prime minister’s…please an initiative instantly. We the non govt teacher and employees will support you constantly.

  9. Kabir bin belyat.lecturer mirkadim college. Munshigonj says:

    Honourable prime minister…we want to hear a good news not only our interest but also the govt and countries policy. We the non govt teacher and employees will support you in future. The founder of non govt education institutions some time get ride of their income tax free by name csr…corporate social responsibility. They build-up so called social welfare activities. They embazzle the govt fund.but they torture the teacher and employees inhuman.honourable prime minister’s ,You should realise that they (csr flunder)are not a social welfare activist.the embazzle the govt fund lnconsiderly and constantly. So honourable prime monster’s do your act instantly .we will support you in future .As a daughter of bangabandhu …its your duty to solved the every class of people’s problem. If bangabandhu was alive …he take an initiative instantly action. We are waiting for your solution. Please prime minister’s please take àn initiative.

  10. এ,এস,এম. খাদেমুল হক says:

    বেসরকারি শিক্ষকদের বার্ষিক প্রবৃদ্বি নিয়মিতই হয়। কিন্তু সেটা শিক্ষক ব্যাতীত অন্য কারও চোখে পড়ে না।। কারণ তাদের প্রবৃদ্ধি হয় মুদ্রাস্ফিতির সমান। অর্থাৎ প্রতি বছর তাদের বেতন(সম্মানি বা অসন্মানি যাই বলেন) হ্রাস পায়। এই না হলে বেসরকারি শিক্ষক !

  11. md shafiqul islam says:

    আপনার মন্তব্যthank you for your comment.

  12. Md.Abdul Motalab says:

    জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা শেখ হাসিনাকে কিছু অসাধু মন্ত্রী ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাকে জাতীয়করণ থেকে দূরে রেখেছে । আর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্টান জাতীয়করণ হলে সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ ।

  13. Md.Abdul Motalab (skm) says:

    জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা শেখ হাসিনাকে কিছু অসাধু মন্ত্রী ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাকে জাতীয়করণ থেকে দূরে রেখেছে । আর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্টান জাতীয়করণ হলে সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ ।

  14. বশির আহমদ, সহকারী শিক্ষক, ভাটিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়,দিরাই, সুনামগঞ্জ। says:

    কবে যে এই বৈষম্য দূর হবে তা আল্লাহ মালুম।
    এদেশের এম.পি.ও. ভূক্ত শিক্ষকদের উপর থেকে বিশাল পার্থক্যের জগদ্দল পাথর কখন অপসারিত হবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় কালক্ষেপণ করছেন বৃহত্তর শিক্ষক সমাজ।

  15. Abu Hanif says:

    সরকার চাইলে এক পলকে শিক্ষকের অমানিশা দুর করতে পারে কিন্তু করবেনা কারণ এটা হয়ে গেলে ওরা গাধা বানাবে কাকে?

  16. Surma says:

    Thanks for the above discussion mentioned the mpo teachers. It is high time to nationalize mpo institution . We hope the government will take necessary step to nationalize the mpo institutions as soon as possible.

  17. মো: গিয়াস উদ্দিন. সহকারী শিক্ষক, আজিজুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়. says:

    জননেত্রী, গণতন্ত্রের মানস কন্যা শেখ হাসিনাকে কিছু অসাধু মন্ত্রী ভুল বুঝিয়ে শিক্ষাকে জাতীয়করণ থেকে দূরে রেখেছে । আর সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ ।

  18. Md.Ssiful Islam Barati high school,Taragonj,Rangpur says:

    আপনার মন্তব্য Govf. should take necessary steps to nationalize education

  19. moni says:

    আইসিটি বিষয়ে এমপিও দেন।দয়া করে এমিপও দেন।

  20. moni says:

    আইসিটি বিষয়ে এমপিও দেন।দয়া করে এমপিও দেন।

  21. হাবিবুর says:

    ভালো , কিন্তুু কে শোনে কার কথা।

  22. মো: আবুল কাশেম সহকারী শিক্ষক লাকেশ্বর দাখিল মাদ্রাসা ছাতক সুনামগঞ্জ says:

    এতদিনে একটা সত্যি কথা তুলে ধরলেন আপনাকে অসং্খ্য ধন্যবাদ। আসল ব্যাপার হল জাতীয়করন হয়ে গেলে ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান গন তহবিল তছরুপ করতে পারবেন না দুর্নীতি করতে পারবেন না।

  23. আবু ইসহাক says:

    আপনার মন্তব্যভাই এম পিও ভূক্ত শিক্ষকরা দেশের সৎ সন্তান।নাহলে এতো অবহেলা কেন।

  24. আবদুল গফুর মিয়া says:

    বি.এন পি সরকার একবার ১০% বেতন বৃদ্ধির নির্বাচনী ইশতেহার দিয়ে ৫% বৃদ্ধি করেছিল । বর্তমান সরকারের আমলে আমাদের বেতন বঙ্গবন্ধু কন্যাই দ্বিগুন করেছেন ।তাই মাননীয় প্রধান মন্তী জননেএী শেখ হাসিনাকে আওয়ামীলীগ সরকারকে ধন্যবাদ ।বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিদ্ধস্থ্য দেশের সকল প্রাইমারী বিদ্যালয় সরকারি করন করেছেন । তাঁরই কন্যা ক্ষমতায় আছেন ।তাই মাননীয় প্রধান মন্তীর কাছেই আমাদের প্রত্যাশা বেশি ।আমার চাকরি শেষ পর্যায়ে তবুও আপনার মাধ্যমেই সরকারি হউক এটাই কামনা ।

  25. md. billal hossain says:

    ict. শিক্ষকেদের দিকে ——-

  26. মণি রহমান says:

    দুঃখ ঘুচাতো দূরের কথা! আগে দেখতে হবে ১. “ওনারা” এমপিও শিক্ষকদের আদৌ মানুষ মনে করেন কিনা- না রোবট ?! ২.শিক্ষক মনে করেন কিনা!

  27. Sheikh Mohammad Salim...one of the victims says:

    আপনার মন্তব্যOnly victims are well aware about this disparity. ..nobody else will feel such an unbearable situation. …but ….we hope …condition must be changed soon….

  28. জান্নাতুল ফেরদৌসী, দক্ষিণ পারতেখুর উচ্চ বিদ্যালয়,শাজাহানপুর, বগুড়া। says:

    অাপনার লেখাটা খুবই ভালো লাগলো।অাসলে কিছু লোক যারা মুখে বলে অাওয়ামিলীগ অাসলে তারা অন্য কোন দলের।তারা চায় স্বমূলে জননেত্রী শেখ হাসিনার ধ্বংস।অার তাই যখন দেখল সব ক্ষেত্রেই উন্নতির শিখরে পৌছে যাচ্ছেন তিনি তখনই তাকে ভূল বুঝিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সকল শিক্ষকদের জাতীয়করণ করা থেকে বিরত রাখার পরামর্শ দিয়ে একটা অরাজকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।তাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে অাকুল অাবেদন সজাগ থাকুন অার শিক্ষক বৈষম্য দূর করে সবার অন্তরে জায়গা করে নিন এবং শিক্ষা তথা জাতীর উন্নয়নের যে লক্ষ্যে কাজ করছেন তা সফল করুন।

  29. রফিকুল ইসলাম says:

    এতদিনে একটা সত্যি কথা তুলে ধরলেন আপনাকে অসং্খ্য ধন্যবাদ। আসল ব্যাপার হল জাতীয়করন হয়ে গেলে ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান গন তহবিল তছরুপ করতে পারবেন না দুর্নীতি করতে পারবেন না।

  30. রফিকুল ইসলাম পানিতলাহাট গোবিন্দগঞ্জ says:

    এতদিনে একটা সত্যি কথা তুলে ধরলেন আপনাকে অসং্খ্য ধন্যবাদ। আসল ব্যাপার হল জাতীয়করন হয়ে গেলে ম্যানেজিং কমিটি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান গন তহবিল তছরুপ করতে পারবেন না দুর্নীতি করতে পারবেন না।

  31. খাইরুল,সহঃঅধ্যাপক,মীর আব্দুল করিম কলেজ,মিরপুর,কুষ্টিয়া। says:

    আপনার মন্তব্য সঠিক কিন্তু শুনছে কে ?

  32. M A YOUSUF LECTURER TOGRA KAMIL MADRASAH , PIROJPUR 01710-541839 says:

    very good

  33. M A Babul says:

    আপনার মন্তব্য
    আমরা এম,পি ও ভুক্ত শিক্ষক হয়ে কি অপরাধটা করেছি

  34. Ikbal,Guardian says:

    সরকারের আমলা ও কিছু মন্রী চান না, সকল মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণ হউক। এতে তাদের লাভ কমে যাবে। তাদের কারনে আজ শিক্ষায় হ- য- ব- র- ল অবস্থা।

  35. মোঃ শাহীন আলম says:

    স্যার কিছু কলেজ বেতন নেয়না ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে। এতে শিক্ষকদের কোন সুযোগ সুবিধাও দেয়না। কিন্তু শিক্ষকরাতো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেই। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে শিক্ষাকে জাতীয়করণের আনা আশু প্রয়োজন।

  36. sagor,comilla says:

    এই বাস্তবটা সর্ব সাধারনের বুঝা উচিত।

আপনার মন্তব্য দিন