please click here to view dainikshiksha website

পরীক্ষার খাতা দেখার নিয়মে পরিবর্তন হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ৩, ২০১৭ - ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

পরীক্ষার খাতা দেখার নিয়মে কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বুধবার (২রা আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে শিক্ষা ভবনের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কনফারেন্স হলে ই-ফাইলিং ও গণশুনানি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কোনো নতুন নিয়ম প্রবর্তন করিনি। এমনকি পরিবর্তনও করিনি। আমরা শুধুমাত্র কার্যকর করেছি। আগে খাতা দেখার যে নিয়ম ছিল তা কার্যকর ছিল না। আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছিলাম তখন শিক্ষাব্যবস্থা যথেষ্ট ঘোলাটে ছিল। তা বুঝে উঠতেই আমাদের অনেক সময় কেটে গেছে। এখন আমরা অনেক রহস্য উদঘাটন করেছি এবং সমাধান করছি। খাতা দেখার বিষয়টিও সে রকমই একটা বিষয়।

শিক্ষাখাতে দুর্নীতির কোনো জায়গা নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, দুর্নীতির বিষয়টি পুরোপুরি পরিবর্তন করতে না পারলেও অনেকাংশে দূর করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের কার্যক্রম সারাবিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। ঘুষ যে দেবে তাকে আমরা কিছু বলব না। কিন্তু ঘুষ যে নেবে তার কোনো ক্ষমা হবে না। শাস্তি তাকে পেতেই হবে। এরইমধ্যে এ রকম দৃষ্টান্ত আমরা স্থাপন করতে পেরেছি।

বক্তব্যের শুরুতে শোকের মাসের বিবৃতি দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শত্রুরাই জাতির জনককে হত্যা করেছিলো। তারা এখনও চায় দেশের ক্ষতি করতে। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর যে শাসন ব্যবস্থা আমরা দেখেছি সেখানে আমাদের সন্তানরা পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে ভুল শিখেছে। সঠিক ইতিহাস অর্জন করতে না পারলে আমাদের আসল উন্নতি কোনদিনই সম্ভব না।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক আহমেদ সাজ্জাদ রফিকের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই কার্যক্রমের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব ড. মো. আব্দুল মান্নান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন, যুগ্ম সচিব আহমেদ শামীম আল রাজীসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্য কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, এর আগে আপনারা দেখেছেন ফাইলের কারণে কত ধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সে সমস্যার পরিত্রাণ চাই। আর প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার চাই। কেননা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে দ্রুততার সঙ্গে ফাইল নেওয়া ও নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ক্ষেত্রে ঘুষের যে অপবাদ আমাদের আছে তা  ঘুচানো সম্ভব গণশুনানির মাধ্যমে। ভুক্তভোগীরা সরাসরি তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন এবং সমাধানও দ্রুত হবে।

এছাড়া কর্মকর্তারা কিংবা মন্ত্রী নিজেও ঢাকার বাইরে কিংবা দেশের বাইরে থাকলেও ফাইল ইন্টারনেটে দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাতে পারবেন বলেও জানান বক্তারা। এতে ফাইল কেন্দ্রিক কাজে ‘পেন্ডিং’ কথাটি একেবারে মুছে ফেলা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তারা।

এ সময় শিক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের লক্ষ্যে মন্ত্রী ই-ফাইলিং ও গণশুনানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১১টি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি ভিডিওর মাধ্যমে অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহণ করেন। সারাদেশের স্কুল-কলেজগুলোর সঙ্গে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এছাড়া সরকারি ফাইলকেন্দ্রিক সমস্যা দূর করা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ই-ফাইলিং কার্যক্রম চালু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১৬টি

  1. শাকিলা নাছরিন পাপিয়া says:

    আমরা প্রতিদিন হাজারটা মিথ্যেকে হজম করি এটাই বর্তমান সফলতা৷
    শিক্ষার এমন লেজে গোবরে অবস্থা ইতিহাস হয়ে থাকবে ভবিষ্যতে৷

  2. Md . A . Karim says:

    thank the Edu.minister for wishing clean edu. system. please, check the systemloss & bring change for any irregularities.

  3. সিদ্দিকুর রহমান says:

    শিক্ষা মন্ত্রী বলেন আমরা যখন ক্ষমতায় এসেছিলাম তখন শিক্ষাব্যবস্থা যথেষ্ট ঘোলাটে ছিল। ভুল বললেন, আপনারা যখন ক্ষমতায় এসেছেন তখন থেকেই শিক্ষা ব্যাবস্থায় ঘোলাটে হতে শুরু হয়েছে। কেননা তখন শিক্ষার্থীরা নকল করা ভুলে গিয়েছিল আর এখন শিক্ষার্থীদের সাথে সাথে শিক্ষকেরা ও নকল করতে সহযোগিতা করে। শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে বিশ্ব বাসিকে দেখানোর জন্য পাশের হার বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ছাত্ররা এখন আর পড়াশোনা করেতে ইচ্ছুক হয়না। ছাত্রদের ধারণা না পড়লে ও পাশ করা যায়, এভাবে ছাত্রদের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাচ্ছে। আমার মনে হয় সব চেয়ে বেশি দুর্নীতি হচ্ছে শিক্ষা খাতে।

  4. Ashraf says:

    A lot of thanks to you. আপনার মনে হয় MPO হারানোর ভয় নাই।

    • Md.Rafiqul Islam Borobaria Rahmania Fazil Madrasah Chitalmari,Bagerhat says:

      সৃজনশীলের নামে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হচ্ছে । ছাত্ররা এখন আর মূল বই পড়াশোনা করেতে ইচ্ছুক হয় না। ছাত্রদের ধারণা বই না পড়লেও পাশ করা যায়, তাই শিক্ষা ব্যাবস্থায় ঘোলাটে ।

  5. rohan says:

    তারাকান্দা বঙ্গবন্ধু কলেজে কারিগরির গনিত থেকে উপাধ্যক্ষ হয়ে mpo পেল কিভাবে?

  6. Md Jawad Hosain says:

    বক্তব্য দিয়ে আর আইন করে দুর্নীতি বন্দ করা যায় না, মানুষের মনুষ্তবোধ জগ্রত না হলে দুর্নীতি বন্দ হবে না। কারন দেশে যত বড় আইন হয় ঘোষে অংক তত বড় হয়। প্রত্যেকেই সত্য কথা বলা নীতি আর্দশে কাজ করার মত মন মানসিকতা সৃষ্টি করতে পারলে দুর্নীতি বন্দ হবে। কথায় নয় কাজে বড় হতে হবে।

  7. হুমায়ুন কবির says:

    এখন দেশের কোন শত্রুরা মূর্খ-চরিত্রহীন-লম্পটদের হাতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল মাতব্বরির ক্ষমতা তুলে দিয়ে আর সৃজনশীলের নামে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে একটা জ্ঞানপঙ্গু-জ্ঞান প্রতিবন্ধী-মাকাল ফল প্রজন্ম উপহার দিয়ে জাতিকে ধ্বংস করতে যাচ্ছে ?!

  8. Md. Eunus Ali, Lecturer in English, Syedpur Bazar Fazil Madrasah, Nabigonj, Habigonj says:

    ধন্যবাদ

  9. মোঃ হুমায়ুন কবির,সহকারী প্রধান শিক্ষক,এ.ডি.এম.উচ্চ বিদ্যালয়,মির্জাপুর,টাংগাইল। says:

    আইন করে দুর্নীতি বন্ধ করা যায় না। সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটির প্রয়োজন তাহল মানুষের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ। নিজে ভালতো জগৎ ভাল।

  10. জাহাংগীর কবির. নাজিরপুর কলেজ, পিরোজপপুর says:

    গাল ভরা বুলিতে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এখন আর আশ্বস্হ হতে পারছেনা। বছর পহেলা ভুলে ভরা বই দিলে আর শিক্ষকদের দোষ ত্রুটি খোজলেই শিক্ষা ব্যবস্হার উন্নতি হবে না। এর জন্য চাই শিক্ষকদের জীবনমনের উন্নয়ন, সরকারী বে -সরকারী শিক্ষকদের মাঝে বৈসম্য দূরীকরণ। আল্লাহ মন্ত্রী -আমলাদের হেদায়েত করুন।

  11. moni says:

    aponi ict mpo den plz.aponi balce 8/5/2017 tarike but akoni kono kabor nai keno.tahel aponi.balcen den na.ar pari na.

  12. Anamul houqe says:

    কি আর বললো।।। ছাত্র-ছাত্রী এখন বলে, স্যার আপনাদের এখন পড়ানো লাগবে না।। পরীক্ষার খাতায় যা লেখবো তাই পাশ।। এই যদি হয় শিক্ষার মান।।।।

  13. মো:সাইফুল ইসলাম,অধ্যক্ষ কোহিনৃর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ,তরগাও,কাপাসিয়া,গাজীপুর। says:

    বক্ত্বব্য দিলে অনেক দেওয়া যায়। মাননীয় শিক্ষামন্ত্র্রী আসল কথায় আসুন বেসরকারী শিক্ষকদের চাকুরী কবে সরকারী হবে।না পারলে চলে যান জাতীর জন্য ভালো হবে।জাতীর মেরুদন্ড নষ্ট করবেন না।

  14. saikat khan says:

    আপনার মন্তব্যplease,Go ahead.

  15. সাহেদুল ইসলাম সহকারি শি.গি.উ.বি.মিঠাপুকুর.রই says:

    পনের দিনে ২৫০ খানা খাতা দেখা দেখলে মূল্যায়ন কিভাবে ভাল হবে। আর সম্মানী ভাতা পেতে ৩ বছর লাগে। এই তো বোর্ডের অবস্থা। এসব দেখার কেউ নেই।

আপনার মন্তব্য দিন