বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সমন্বিত বা গুচছ ভর্তি পরীক্ষা কেন প্রয়োজন? - মতামত - Dainikshiksha

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সমন্বিত বা গুচছ ভর্তি পরীক্ষা কেন প্রয়োজন?

মাছুম বিল্লাহ |

আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ব্যাপারে ‘সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা’ নেয়ার কথা শুনে আসছি অনেকদিন থেকেই কিন্তু বাস্তবায়নের কোন নিশানা দেখছি না। আমার মনে আছে এরশাদ আমলের শুরু থেকেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আসতাম বরিশাল থেকে। সারারাত লঞ্চে চড়ে সকালে ঢাকায় এসে নামতাম, এসে শুনতাম ভর্তি পরীক্ষা অদির্নিষ্টকালের জন্য বন্ধ। রেডিও টেলিভিশনেও ঠিকমতো প্রচার না করে হয়তো পত্রিকার পাতায় ছোট একটি প্রেস রিলিজ দিয়েই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ খালাস। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হতো।

তখনই ভাবতাম, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে হলে আমাদের ঢাকায় আসতে হবে কেন? ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে যেতে হবে কেন? দেশ তো এমন নিয়ম করতে পারে যাতে আমরা বরিশালে বসেই পরীক্ষা দিতে পারি, ঠাকুরগাঁওয়ের একজন শিক্ষার্থী ঠাকুরগাঁও কিংবা দিনাজপুরে বসে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। সেই চিন্তা চিন্তাই থেকে গেছে। গত কয়েক বছর যাবত একটু একটু শুনছি সমন্বিত কিংবা গুচ্ছপদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার কথা।

এ নিয়ে মন্ত্রণালয়, ছাত্রনেতা কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের খুব একটা জোরালো কিংবা ফলপ্রসূ আলোচনা শোনা যাচেছনা। যারা বিষয়টি নিয়ে তেমন কিছু করতে পারবেনা তারাই কেবল পত্রিকার পাতায় লেখালেখি করছেন হয়তো এই আশায় যে, বিষয়টি কোন একদিন হয়তো আলোর মুখ দেখবে।

২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে হস্তান্তরের সময়ও তিনি কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে সমন্বিত ভর্তি পদ্ধতির খোঁজ নেন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব উপাচার্যকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে একটি বৈঠক আয়োজনের কথাও তিনি বলেন এবং রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে কিন্তু তারপরও বিষয়টি তেমন একটা আগায়নি। কিছু যৌক্তিক কারণে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সমন্বিতভাবে নেয়া সম্ভব হচেছনা। কিন্তু গুচছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা নেয়া তেমন একটি জটিল বিষয় নয়।

যেমন সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একসাথে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে অন্য একটি ভর্তি পরীক্ষা ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আবার আলাদা একটি ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারে। এখন যেটি প্রচলিত আছে তাতে একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা ফরম কিনতে হয়। এতে একদিকে যেমন একজন শিক্ষার্থীর অনেক অর্থ ব্যয় হয় অন্যদিকে দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে বেড়াতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের সময়ের অপচয় ঘটে, তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদিও এ থেকে কিছ বাড়তি টাকা উপার্জন করতে পারে।

এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে আট লাখ এক হাজার সাতশত এগার জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ হাজার ৯৬৯জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫এর নিচে পেয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ২৮৭জন। বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪২টি, এর মধ্যে ৩৭টির শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বাদ দিলে আসন আছে ৪৭হাজার ৬৩৬টি।

এইসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগেরই প্রথম টার্গেট তাকে ভাল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, টেক্সটাইল কলেজ, মেরিন একাডেমি। এসব প্রতিষ্ঠানের আসন সংখ্যা সীমিত। এবার উচচশিক্ষায় ভর্তিতে এসব প্রতিষ্ঠানের ৫২হাজার আসন নিয়েই প্রতিযোগিতা হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন সংখ্যা ৩৬হাজার ৩৪৩টি। সরকারি ৩০টি মেডিকেল কলেজে প্রথম বর্ষে আসন তিন হাজার ২১২টি, বেসরকারি ৬৪টি মেডিকেল কলেজে আসন প্রায় ছয় হাজার। সরকারি ৯টি ডেন্টাল কলেজে আসন ৫৬৭টি, বেসরকারি ১৪টি ডেন্টাল কলেজে আসন সংখ্যা ৮৯০টি। সরকারি ছয়টি টেক্সটাইল কলেজে আসন রয়েছে ৪৮০টি, সরকারি একটি মেরিন একাডেমিতে আসন ৩০০টি, বেসরকারি ১৭টি মেরিন একাডেমিতে আসন এক হাজার ৩৬০টি।এ ছাড়া দুটি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। ৯৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিস্টারেব ভর্তি হতে পারবে এক লাখ ৮৯হাজার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে আসন সংখ্যা তিন লাখ ৯৮হজার ৯৩০টি ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন আচে ৭৭৭টি। তার অর্থ হচেছ সবাই উচচ শিক্ষা নিতে পারছেনা। সবার উচচশিক্ষা নেয়ার প্রয়োজনও নেই। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থাও দেশে নেই। তাছাড়া যে কেউ ইচেছ করলে যাতে উচচশিক্ষা নিতে পারে তার পেশাগত কাজ কিংবা যে কোন অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে থেকেও সুষম ব্যবস্থা কিন্তু দেশে নেই।

যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে না তাদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে পড়তে হবে। তাছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এতদিন দুবার ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যেতো কিন্তুু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এটি একবার করায় রাজশাহী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ও সেই পথ অনুসরণ করছে। ফলে শিক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তা আরও বেড়ে গেছে।

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার কয়েকটি না-বোধক দিক সম্পর্কে দুএকজন উপাচার্য মন্তব্য করেছেন এভাবেÑ
(ক) সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ধরনের বিষয় নেই। (খ) শিক্ষার্থীরা কয়েকটিতে পরীক্ষা দিয়ে একটিতে চান্স পেতে পারে, কিন্তু সমন্বিত পদ্ধতিতে একটি পরীক্ষা দিতে পারবে আর সেটি খারাপ হলে সে আর কোথাও ভর্তি হতে পারছেনা।

(গ) ব্যক্তি স্বাধীনতায় বাঁধ সাধবে এই ব্যবস্থা যেমন কোন শিক্ষার্থী হয়তো একটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচছুক নয় কিন্তু গুচছ বা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার কারণে তাকে সেখানে ভর্তি হতে হবে। ফলে পড়াশুনায় সে মনোযোগী হবেনা। তবে, এই যুক্তিগুলো খুব জোড়ালো যুক্তি নয়। যেমন- সব বিষয় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই তাতে সমস্যা নেই কারণ শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দক্রম ভর্তি হবে। বিষয়ের এই পছন্দক্রম একজন শিক্ষার্থীকে একই গুচেছর কোন না কোন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে সহায়তা করবে।

এ বছর জাহাঙ্গীরনগর ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮ থেকে ১৮ই আগস্ট। বুয়েটের ১৪ই অক্টোবর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ থেকে ২৬শে অক্টোবর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ থেকে ৩০শে অক্টোবর, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ থেকে ২৯শে নভেম্বর, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ঠা নভেম্বর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ই নভেম্বর, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ২৬ শে নভেম্বর ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১লা ডিসেম্বর। অর্থাৎ পুরো নভেম্বর ও ডিসেম্বর জুড়ে চলবে ভর্তি পরীক্ষা।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ২৪শে আগস্ট থেকে। ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে পরে। তবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা যেদিন সকালে হবে, ঐদিন বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা হবে। সমন্বিত কিংবা গুচছপদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে তিন থেকে চারদিনের মধ্যে সব ভর্তি পরীক্ষা শেষ হয়ে যেতো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেন্ট্রাল পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

আমরা জানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৫০টি স্টেট নিয়ে একটি বিশাল দেশ তারা এই পদ্ধতি অনুসরণ করছে আর আমরা তার একটি স্টেটের মতো অথচ সমন্বিত কিংবা গুচছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে পারছিনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা যদি আমরা চিন্তা করি সেখানে ট্রান্সপোর্টের কোন সমস্যা নেই। সময়ের গাড়ি, ট্রেন সময়ে পাওয়া যায়। আপনি বাসা থেকে বের হবেন যে টাইমে যেখানে পৌঁছার কথা সেখানে সেই সময়েই পৌঁছাতে পারছেন। আর আমাদের দেশে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যাবেন, বাসা থেকে মংমনসিংহের গাড়ি ধরতে যাবেন মহাখালী, সেখানে কত ঘন্টায় পৌঁছাতে পারবেন তার কোন ঠিক নেই। ময়মনসিংহের গাড়িতে চাপলেন কখন পৌঁছাবেন তার কোন ঠিক নেই।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের শত শত ঘন্টা সময় নষ্ট করে , শরীরের ওপর প্রচন্ড ধকল সইয়ে ছুটতে হয় অজানা উদ্দেশে। ধরুন পটুয়াখালী থেকে একটি ছেলে পরীক্ষা দিতে যাচেছ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, কিংবা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে, কিংবা ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ক’দিন তো তার পথে পথেই যাবে।

তারপর ছেলেটি গিয়ে থাকবে কোথায়? অনেকেই গিয়ে হলে গাদাগাদি করে থাকার চেষ্টা করে যার ফলে ওখানকার নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় মারাত্মক ব্যঘাত ঘটে। হল প্রশাসনকে পড়তে হয় বাড়তি ঝামেলায়। এখন ঐ শিক্ষার্থীটি খাবে কোথায় এবং কী খাবে? আমাদের দেশের হোটেলগুলোর যে অবস্থা তাতে আপনি টাকা দিয়ে আমাশয়, টাইফয়েড আর বিভিন্ন পীড়ার কিছু জীবাণু কিনবেন। পথে এগুলো খাওয়ার পর অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারপর আবার নতুন পরিবেশে রাতে ঘুম আসবে না, মন অস্থির থাকে। তার ভর্তিপরীক্ষা আশানুরুপ হয়না।

এতো গেলো ছেলেদের কথা। মেয়েদের কথা একটু চিন্তা করুন। তাদের কী অবস্থা ? তারা তো একা যাচেছনা। সাথে বাবা-মা, ভাইবোন কিংবা অন্যকোন আত্মীয় বা আত্মীয়াকে সাথে নিয়ে দেশের একপ্রান্ত থেকে আর প্রান্তে শত শত ঘন্টা নষ্ট করে, শরীর খারাপ করে হয়তো কোন ক্যাম্পাসে গিয়ে উঠল, কিন্তু থাকবে কোথায়? খাবে কী? প্রার্থী হয়তে হলে জায়াগ পেল কিন্তু তার সাথে যারা যাচেছন তারা থাকবেন কোথায়? আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসমূহ বাংলাদেশের এই বাস্তব অবস্থার কথা নিশ্চয়ই ভালভাবে অবগত আছেন। রাষ্ট্রের যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম অবনতি, হোটেল রেস্তোরার অস্বাস্থ্যকর খাবার, নিরাপত্তহীনতা এগুলো রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

কোন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এগুলোর কোন উন্নতি ঘটাতে পারবে না। কিন্তু তারা এতটুকতো পারেন যে, ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে এত ঝামেলা, নিরাপত্তাহীনতা, স্বাস্থ্য ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ছুটে আসতে হবেনা। তারা অন্তত গুচছপদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা চালু করতে পারেন।

মাছুম বিল্লাহ: শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক, ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচিতে কর্মরত সাবেক ক্যাডেট কলেজ শিক্ষক।

সদ্য সরকারিকৃত ২৭১ কলেজ শিক্ষকরা যা জানতে চান - dainik shiksha সদ্য সরকারিকৃত ২৭১ কলেজ শিক্ষকরা যা জানতে চান মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধের নির্দেশ - dainik shiksha মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধের নির্দেশ অবসর সুবিধার আবেদন শুধুই অনলাইনে, দালাল ধরবেন না(ভিডিও) - dainik shiksha অবসর সুবিধার আবেদন শুধুই অনলাইনে, দালাল ধরবেন না(ভিডিও) দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website