please click here to view dainikshiksha website

বেরোবি শিক্ষক সমিতির পাল্টাপাল্টি চিঠি

বেরোবি প্রতিনিধি | আগস্ট ১৮, ২০১৭ - ৬:০২ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভিসি) ভিসি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর কাছে পাল্টাপাল্টি দুইটি চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষক সমিতির দুটি অংশ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সংসদের সাধারণ সভা গত ১৩ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তাকে কেন্দ্র করে এই চিঠি দেওয়া হয়।

গত বুধবার দুপুরে শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সংসদের সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বরাবর ৬ দফা দাবিতে লিখিত চিঠি দেয়া হয়। শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ৬টি দাবির কথা উল্লেখ করা হয়।

দাবিসমূহ হলো-(১) দীর্ঘদিন থেকে যারা পদোন্নতি বঞ্চিত তাদের পদোন্নতি/ আপগ্রেডেশনের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিন্ডেকেট সভায় অনুমোদন করতে হবে। (২) যাদের পদোন্নতি আপগ্রেডেশন বোর্ড সম্পন্ন হয়েছে তাদেরও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পদোন্নতি দিতে হবে। (৩) পরীক্ষার পারিতোষিক বিল জমাদানের সাত দিনের মধ্যে প্রদান করতে হবে। (৪) ইতোপূর্বে পদোন্নতি প্রাপ্ত ২৭ জন শিক্ষকের বকেয়া প্রদান করতে হবে। (৫) শিক্ষক-কর্মকর্তা,কর্মচারীদের জিপিএফ ও পেনশন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এবং (৬) উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক মীর তামান্না এবং হুমায়ুন কবীর এর সাথে সেকশন অফিসার গ্রেড-২ সিরাজুম মুনিরার অসাদাচরণের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত কমিটিকে সক্রিয় করারও অনুরোধ করা হয়।

একই দিনে সমিতির কার্যনির্বাহী সংসদের সভা পুনরায় করার দাবি জানিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর অন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছেন সমিতির নির্বাহী কমিটির অন্য কয়েকজন সদস্য। চিঠির অনুলিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার বরাবরও পাঠানো হয়।

তাদের দাবি, সমিতির কার্যকরী সংসদের সাধারণ সভার আলোচ্যসূচিতে শিক্ষক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় অধিকাংশ আলোচ্যসূচির বিষয়ে সমিতির সকল সদস্যদের পূর্ণ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ কলাণ নিশ্চিত হতো। কিন্তু তা না করায় সমিতির সকল সদস্যগণ তাদের পূর্ণ মতামত দিতে পারেনি। এজন্য উক্ত সভা পুনরায় আহ্বান করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

তাদের দাবির জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন,“ শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্র মেনেই উক্ত সভা করা হয়েছে। তাছাড়া, সভা চলাকালীন সময়েও তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। সভা কখনো পুনরায় করা যায় না, তবে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আবার সভা হতে পারে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১টি

  1. কল্যাণ says:

    মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রাইভেট, কোচিং বন্ধ করে জাতীকে শিক্ষিত করার স্বপ্ন বাতুলতা বৈ কিছুইনা। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ গুলোর এমন বেহাল দশা রেখে ঐ খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর দিকে আংগুলী নিদ্দেশ করার আগে একটু অন্তত ভাবা উচিত!

আপনার মন্তব্য দিন