please click here to view dainikshiksha website

মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি | আগস্ট ১৪, ২০১৭ - ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

নেত্রকোনার মদন উপজেলার বালালী বাঘমারা দাখিল মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, নিজ সনদ জালিয়াতিসহ প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে ১০ লাখ টাকা রিজার্ভ ফান্ডে জমা দিয়ে স্বীয় কৌশলে সাকল্য টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ১৯৯০ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বালালী বাঘমারা খন্দকার আবদুর রাজ্জাক দাখিল মাদ্রাসা করা হয়। বিধি মোতাবেক ব্যক্তিনামে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করলে ১০ লাখ টাকা প্রতিষ্ঠানের রিজার্ভ ফান্ডে জমা করার কথা। উক্ত টাকা জমা দেয়ার পর বিভিন্ন কৌশলে খরচ দেখিয়ে সুপার মো. বজলুর রহমান সাকল্য টাকাই আত্মসাৎ করেন। এদিকে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের জন্য ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর সরকারি এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নিয়োগ বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারির ১০ দিন পর সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে মাদ্রাসা সুপার ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর প্রথমে এবং একই সালের ২ নভেম্বর তারিখ দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তিটি পত্রিকায় প্রকাশ করেন। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের চার মাস পূর্বেই গণিত শিক্ষিকা রুনা লায়লাকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই নিয়োগ দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করান। এছাড়া মদন-ফতেপুর সড়কে মাদ্রাসার জায়গায় ১০টি দোকানের অগ্রিম বাবদ ৫০ লাখ টাকা প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে জমা না করে নিজেই আত্মসাৎ করেন। বজলুর রহমানের জন্ম ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি হলেও তিনি সুপার পদে যোগদান করেন ১৯৯২ সালের ২০ জুলাই।

অর্থাৎ মাত্র ২১ বছর বয়সে। এ সময়ের মধ্যে তিনি দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পাস করে সুপার হয়ে যান। যদিও কামিল পাস করতে সময় লাগে কমপক্ষে ২২ বছর। সুপার হতে হলে সহকারী শিক্ষক পদে অভিজ্ঞতার প্রয়োজন কমপক্ষে আরও ৮ বছর। সুপার হতে বজলুর রহমানের বয়সের প্রয়োজন ৩০ বছর। অথচ তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সেই সব পড়ালেখা শেষ করে সুপার পদে নিয়োজিত আছেন। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আ. হাই সরকার বলেন, এসব অভিযোগ আমি দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে। সুপার বজলুর রহমান জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়, বিধি অনুযায়ী পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক মাদ্রাসার কাজ করে যাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


আপনার মন্তব্য দিন