ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেই ‘শনির দশা’ - বিশ্ববিদ্যালয় - Dainikshiksha

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হলেই ‘শনির দশা’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি |

eb_final

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে কোনো উপাচার্যই তার চার বছরের পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। অধিকাংশ ভিসিই দুই থেকে তিন বছরের মাথায় পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন অথবা অপসারিত হয়েছেন। নিয়োগ বাণিজ্য, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতিতে জড়িয়ে আবার কখনো পেশিশক্তির নোংরা ছাত্র রাজনীতি অথবা নোংরা শিক্ষক রাজনীতির খপ্পরে পড়ে একে একে বিদায় নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক ১১ ভিসি। এর মধ্যে অধিকাংশ ভিসি আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন।

সর্বশেষ প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারকে গত ৩০ জুন নির্ধারিত মেয়াদের ৫ মাস ২৭ দিন আগেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধেও অনিয়মের প্রমাণ পায় তদন্ত কমিটি। আবদুল হাকিম সরকারকে অব্যাহতি দেওয়ায় অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়ে ক্যাম্পাস।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প পরিচালক এবং পরবর্তীতে চার বছরের জন্য প্রথম ভিসি হিসেবে ১৯৮১ সালের ৩০ জানুয়ারি নিযুক্ত হন প্রফেসর ড. এ এন এম মমতাজউদ্দিন চৌধুরী। দ্বিতীয় মেয়াদে ভিসি থাকাকালীন ক্যাম্পাস গাজীপুর থেকে কুষ্টিয়ায় স্থানান্তর নিয়ে তৎকালীন সরকারের সঙ্গে মতবিরোধের জের ধরে মেয়াদপূর্ণ হওয়ার এক বছর বাকি থাকতেই ১৯৯০ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিনি অপসারিত হন।

১৯৯০ সালের ২৮ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ভিসি হিসেবে চার বছর মেয়াদে নিযুক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। যৌন কেলেঙ্কারি ও শিক্ষকদের মূল্যায়ন না করার অভিযোগে মাত্র আড়াই বছরের মাথায় ১৯৯১ সালের ১৭ জুন তাকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয়। তিনি মাত্র ৫ মাস ২০ দিন ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ ১৯৯১ সালের ২০ জুন তৃতীয় ভিসি হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। তিনি অবৈধ নিয়োগ দিতে অস্বীকার করায় স্থানীয় চাকরি প্রার্থীরা তাকে তার বাসায় ৩ দিন অবরোধ করে রাখেন বলে জানা যায়। এমনকি তার বাসার টেলিফোন লাইন, বিদ্যুৎ, খাবার ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেন চাকরি প্রত্যাশীরা। প্রাণভয়ে তিনি রাতের আঁধারে পালিয়ে যান। তিনি ৩ বছর ১০ মাস ১ দিন দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৫ সালের ৯ মে প্রফেসর মুহাম্মদ ইনাম-উল হক চতুর্থ ভিসি হিসেবে যোগদান করেন। ভয়ঙ্কর এক পরিস্থিতিতে লাঞ্ছিত হয়ে বিদায় নিতে হয় প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইনাম-উল-হককে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনকারীরা তাকে মারধর করে গাড়িতে তুলে দেয়। এরপর তিনি আর ক্যাম্পাসে ফেরেননি। তিনি ২ বছর ৩ মাস ২৪ দিন দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর ১৯৯৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পঞ্চম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ কায়েস উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম, দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিকীকরণের অভিযোগে তীব্র আন্দোলন শুরু হলে ২০০০ সালের ১৮ অক্টোবর মেয়াদপূর্ণ হওয়ার ১ বছর আগেই পদত্যাগ করে চলে যান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ লুৎফর রহমান ২০০০ সালের ১৯ অক্টোবর ষষ্ঠ ভিসি হিসেবে যোগদান করেন। জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাত্র এক বছরের মাথায় ২০০১ সালে ৯ ডিসেম্বর ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান। তিনি ১ বছর ১ মাস ১ দিন দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর ২০০১ সালে ১০ ডিসেম্বর সপ্তম ভিসি হিসেবে নিযুক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। তার কার্যকালে দুই বছরের মাথায় আওয়ামীপন্থী প্রগতিশীল ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের একাংশ এবং তাদের সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের লাগাতার আন্দোলনের মুখে মেয়াদ পূর্তির দুই বছর আগেই ২০০৪ সালে ২ এপ্রিল তিনি অপসারিত হন। তিনি ২ বছর ৩ মাস ২৩ দিন দায়িত্ব পালন করেন।

সপ্তম ভিসিকে অপসারণের পর ২০০৪ সালে ৩ এপ্রিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এম রফিকুল ইসলামকে অষ্টম ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। স্থানীয় চাকরি প্রার্থীদের চাপের মুখে ভিসি প্রফেসর ড. এম রফিকুল ইসলাম ২০০৬ সালের ২০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দেন। চ্যান্সেলর ও প্রধানমন্ত্রী তা অনুমোদন করেন এবং ১০ জুলাই শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে ভিসি অফিসে ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে জানানো হয় ভিসি পদে নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ এস এম আনোয়ারুল করীম তার দায়িত্বে অতিরিক্ত ভিসির আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় ক্লাস বর্জন করে শিক্ষকরা এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একজন শিক্ষককে ভিসি হিসেবে নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর ফয়েজ মোহাম্মদ সিরাজুল হককে নবম ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেন। নিয়োগ পেয়ে তিনি তার অত্যন্ত কাছের দুর্নীতিবাজ কিছু ঘনিষ্ঠ শিক্ষককে প্রশাসনিক বিভিন্ন দায়িত্ব দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে তিনি চরমভাবে বিতর্কিত হয়ে পড়েন। ভিসি প্রফেসর ফয়েজ মোহাম্মদ সিরাজুল হক ২০০৯ সালে ১৫ জানুয়ারি শিক্ষা সচিব মোমতাজুল ইসলামের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

সিরাজুল হকের পর ২০০৯ সালের ৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত ও রাসায়নিক প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিন দশম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান। প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর মোট তিনটি চাকরির সিন্ডিকেট সম্পন্ন করেন। সর্বশেষ ২০১২ সালের ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১৭ তম সিন্ডিকেটে ১২৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগে শিক্ষকরা ভিসি, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষকদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান তাকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।

এরপর ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ তম ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইন্সটিটিউটের শিক্ষক প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার। দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে দুই দফা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

সর্বশেষ গত ৯ ও ১০ এপ্রিল ইউজিসি থেকে একটি তদন্ত টিম ক্যাম্পাসে আসে। তারা শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন অনিয়মসহ সার্বিক বিষয় তদন্ত করেন। এর আগে ইউজিসির অপর আরেকটি তদন্ত টিম ক্যাম্পাসের সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে। অবশেষে ৩০ জুন বৃহস্পতিবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদ থেকে ড. আবদুল হাকিম সরকারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। নির্ধারিত মেয়াদের ৫ মাস ২৭ দিন আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে ভিসিদের এমন বিদায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাম্য নয়।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলি উল্লাহ বলেন, বারবার ভিসি চলে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌগোলিক অবস্থান। এখানকার স্থানীয়রা মনে করেন ইবি চাকরি দেওয়ার জায়গা। নতুন ভিসি আসার সাথে সাথেই চাকরির দেন-দরবার শুরু হয়। এই দেন-দরবারের সাথে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীও জড়িয়ে পড়েন। ভিসি যখন আবদার পুরণ করতে পারে না তখন শুরু হয় আন্দোলন। বাধ্য হয়ে পালিয়ে যেতে হয় ভিসিকে।

তিনি আরও বলেন, আরেকটি কারণে ভিসিদের চলে যেতে হয়েছে সেটি হলো, অনিয়ময় দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি। অনেক ভিসিই ক্যাম্পাসকে আয়ের উৎস মনে করেছে। যার কারণে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।

ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন শোচনীয় অবস্থা। এমন কোনো ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয় নি, যিনি নিয়মানুযায়ী ক্যাম্পাসের দায়িত্ব পালন করতে পারে। ভিসি না থাকলে প্রো-ভিসির দায়িত্ব চলে আসে, কিন্তু ভিসির সকল কাজ প্রো-ভিসি করতে পারে না। আবার দায়িত্ব না থাকায় অন্যান্য কর্মকর্তারাও ভিসির কাজ করতে পারবে না।

তিনি বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এখন অটো চলছে। আল্লাহ চালাচ্ছে। কোনো নিরাপত্তা নেই।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে কোনো ভিসিই তার চার বছরের পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে না পারার ব্যাপারে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা দলীয়করণ। যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে তাদের অনুসারী শিক্ষক-কর্মকতা আর ছাত্র সংগঠন ব্যবসায়ী বনে যান। সে কারণে ভিসিরা থাকতে পারে না।

এদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, ভিসি না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। ইকবাল হোসাইন রুদ্র, ইমরান রাশেদসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ভিসি না থাকায় একাধিক বিভাগের পরীক্ষা আটকে আছে। ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে না। আবার বিগত সময়ে ফলাফল প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত সনদপত্র পাচ্ছেন না তারা। স্বাক্ষর করার লোকের অভাবে সনদপত্র পেতে বিলম্বিত হচ্ছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, সততার সাথে ক্যাম্পাস পরিচালনা করবে, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারবে এমনটি আশা আমাদের।’

তিনি বলেন, ‘নোংরা শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ এবং চাকরি প্রত্যাশী ও টেন্ডারবাজ ছাত্রনেতাদের অনৈতিক দাবির কাছে মাথা নত না করায় ইবি ভিসিদের বড় চ্যালেঞ্জ।’

আপাতত ক্লাস সপ্তাহে ১ দিন : শিক্ষামন্ত্রী - dainik shiksha আপাতত ক্লাস সপ্তাহে ১ দিন : শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসির ফল প্রকাশে আইন পাস, দু’দিনেই প্রজ্ঞাপন - dainik shiksha পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসির ফল প্রকাশে আইন পাস, দু’দিনেই প্রজ্ঞাপন ৯ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে একাট্টা হচ্ছে সব সরকারি কর্মচারী সংগঠন - dainik shiksha ৯ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে একাট্টা হচ্ছে সব সরকারি কর্মচারী সংগঠন নো মাস্ক নো স্কুল, ক্লাস হবে শিফটে : দুশ্চিন্তায় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - dainik shiksha নো মাস্ক নো স্কুল, ক্লাস হবে শিফটে : দুশ্চিন্তায় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকতার অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন মিজানুর রহমান : স্মরণসভায় জেলা জজ - dainik shiksha সাংবাদিকতার অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিলেন মিজানুর রহমান : স্মরণসভায় জেলা জজ প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে, দাবি প্রতিমন্ত্রীর - dainik shiksha প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে, দাবি প্রতিমন্ত্রীর মাদরাসা শিক্ষার সমস্যার সমাধান দ্রুতই : শিক্ষা উপমন্ত্রী - dainik shiksha মাদরাসা শিক্ষার সমস্যার সমাধান দ্রুতই : শিক্ষা উপমন্ত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার গাইড লাইন প্রকাশ, তিন ফুট দূরত্বে ক্লাসরুমের বেঞ্চ - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার গাইড লাইন প্রকাশ, তিন ফুট দূরত্বে ক্লাসরুমের বেঞ্চ ক্লাসরুমে সর্বোচ্চ ১৫ শিক্ষার্থী, প্রতি বেঞ্চে ১ জন - dainik shiksha ক্লাসরুমে সর্বোচ্চ ১৫ শিক্ষার্থী, প্রতি বেঞ্চে ১ জন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে প্রস্তুতি ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে - dainik shiksha শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে প্রস্তুতি ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে please click here to view dainikshiksha website